ইসলামাবাদ: ভারত ও আমেরিকার পর এখন পাকিস্তানও চাইনিজ অ্যাপ টিকটককে ব্লক করে দিয়েছে। পাকিস্তানের টেলিকমিউনিকেশন অথরিটি (পিটিএ)র কাছে অনৈতিক ও অশ্লীল বিষয়বস্তু প্রচার করার অভিযোগ আসে টিকটকের বিরুদ্ধে, এরপরেই ব্যান করা হয় টিকটক।

জানা গিয়েছে, প্রথমে অভিযোগ আসার পরেও টিকটককে ওয়ার্নিং দেয় পাকিস্তান। তবুও, টিকটক কোনও পদক্ষেপ না নেওয়ায় পাকিস্তান টেলিকমিউনিকেশন কর্তৃপক্ষ চাইনিজ অ্যাপটি নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

পাকিস্তান টেলিকমিউনিকেশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সমাজের নানান অংশ থেকে প্রাপ্ত অভিযোগের ভিত্তিতে পিটিএ এই ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপটি ব্লক করার আদেশ দিয়েছে। পাকিস্তানের জিও নিউজের রিপোর্টে বলা হয়েছে, টিকটক কোম্পানি অনলাইন কনটেন্টের ওপর নিয়ন্ত্রণের কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হয়েছে । তাই টিকটককে ব্লক করা হয়েছে।

রিপোর্ট মোতাবেক, পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান টেলিকমিউনিকেশন কর্তৃপক্ষকে ইন্টারনেট, সোশ্যাল মিডিয়া এবং অ্যাপসকে অশ্লীলতা মুক্ত করতে বলেছিলেন। এরপরেই পিটিএ পাঁচটি ডেটিং অ্যাপ নিষিদ্ধ করে। যাদের বিরুদ্ধে নগ্নতা এবং সমকামিতা ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী শিবলি ফরাজে জানিয়েছেন, টিকটকে ডেটা সুরক্ষা নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন নন, কিন্তু সংস্কৃতি নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। তাঁর মতে এই অ্যাপের সাহায্যে দেশে দ্রুত গতিতে অশ্লীলতা ছড়িয়ে পড়ছে। তিনি জানান, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এ বিষয়ে ১৫ বার কথা বলেছেন, তারপরেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, ভারতেও নিষিদ্ধ হয়ে রয়েছে টিকটক। সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে চলতি বছরের জুনের শেষ সপ্তাহে টিকটক হ্যালো এবং শেয়ারইট সহ চিনের ৫৯ টি অ্যাপ্লিকেশন নিষিদ্ধ করে কেন্দ্র। পরে, জুলাইয়ের শেষদিকে আরও ৪৭ টি চিনা অ্যাপস নিষিদ্ধ করা হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।