শ্রীনগর: পাকিস্তানী গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই জম্মু ও কাশ্মীর জুড়ে অশান্তির বাতাবরণ তৈরি করার জন্য জঙ্গি সংগঠন গুলিকে কাশ্মীরের সকল ধর্মীয় স্থান গুলিতে আক্রমন করার অনুমতি দিয়েছে। ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার তরফে সংবাদ মাধ্যমকে এমনটাই জানানো হয়েছে। আইএসআইয়ের এই পৈশাচিক পরিকল্পনা পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদী এবং তাদের পাকিস্তান হ্যান্ডলার দের মধ্যে কথা হওয়ার পর জানা যায়।

সূত্র মারফত জানা গিয়েছে যে আইএসআইয়ের এই মুহূর্তে প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে কাশ্মীর উপত্যকায় মানুষদের ভিতরে আতঙ্ক সৃষ্টি করা এবং ধর্মীয় বিষয় নিয়ে উস্কানি দিয়ে আইন শৃঙ্খলাতে বিঘ্ন ঘটানো। বুধবার ভারতীয় সেনাবাহিনীর তরফে জানানো হয় পাকিস্তান মরিয়া হয়ে বেশী সংখ্যক সন্ত্রাসবাদী কে কাশ্মীরে ঢোকানোর চেষ্টা করছে যাতে সেখানকার শান্তি শৃঙ্খলা নষ্ট করা যায়।

শ্রীনগরে সাংবাদিক সম্মেলন চলাকালীন কম্যান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল কেজিএস ধানোয়া জানিয়েছেন অনুপ্রবেশের চেষ্টা প্রত্যেকদিন করা হচ্ছে। যদিও সকল লঞ্চ প্যাড পুরোপুরি ভর্তি রয়েছে। তিনি আরও যোগ করেন পাকিস্তানী সেনাদের সহায়তাতে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে সেখানকার সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলি।

লেফটেন্যান্ট জেনারেল কেজিএস ধানোয়া জানান পুঞ্চ এবং রাজৌরি এলাকা দিয়ে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করা হচ্ছে। ভারতীয় সেনাবাহিনী দুজন পাকিস্তানী সন্ত্রাসবাদী কে ২১শে অগস্ট গ্রেফতার করে যারা লস্কর ই তইবার সঙ্গে যুক্ত। সন্ত্রাসবাদীদের তরফ থেকে স্বীকারোক্তি সহ একটা ভিডিও প্রকাশ করা হয়।

পাকিস্তানের তরফ থেকে এই মরিয়া চেষ্টা বৃদ্ধি পায় নরেন্দ্র মোদীর কাশ্মীর থেকে আর্টিকেল ৩৭০ ও ৩৫এ তুলে নেওয়ার পর থেকেই।

ভারতীয় সেনার তরফ থেকে জানানো হয়েছে পাকিস্তানী সেনার সাহায্য নিয়ে অনধিকারমূলক চেষ্টা দিনে এবং রাতে সবসময় করা হচ্ছে। অনুপ্রবেশের চেষ্টা মূলত পুঞ্চ, রাজৌরি দিয়ে সন্ত্রাসবাদীরা করার চেষ্টা করা হচ্ছে। সেনাবাহিনীও তার যোগ্য উত্তর দিচ্ছে। তাছাড়া সেনাদের তরফ থেকে পাকিস্তানের ডিজিএমও কে গ্রেফতার হওয়া সন্ত্রাসবাদীদের সম্পর্কে জানানো হয়েছে।

একই সাংবাদিক সম্মেলন থেকে জম্মু ও কাশ্মীরের এডিজিপি মুনির খান জানিয়েছেন ৫ই অগস্ট ৩৭০ ধারা বাতিলের পর থেকে কোন সধারন মানুষের ক্ষতি হয় নি। সেখানকার শান্তি শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।