নয়াদিল্লি: কর্তারপুর নিয়ে ষড়যন্ত্রের ছক কষেই চলেছে পাকিস্তান। শিখ সম্প্রদায়কে ভারত-বিরোধী উস্কানি দিতে সবরকম প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ইসলামাবাদ। এবার তাদের দাবি, ভারতীয় বায়ুসেনা নাকি বোমা ফেলেছিল কর্তারপুরের গুরুদোয়ারায়।

এভাবেই পাকিস্তানের তরফে উত্তেজনা তৈরি করার চেষ্টা চলছে। এরকম একটি ভুল তথ্য দেওয়া ব্যানার লাগানো হয়েছে ওই গুরুদোয়ারায়। সূত্রের খবর পাকিস্তানি সেনার তরফে করতারপুর সাহেবে ওই ব্যানার ঝুলিয়ে পাকিস্তানের তরফে দাবি করা হয়েছে, ১৯৭১ সালের যুদ্ধে ভারতীয় বায়ুসেনা এই করতারপুর গুরুদুয়ারার ওপর বোমা ফেলে ধ্বংস করতে চেয়েছিল। শুধু তাই নয় পাকিস্তানের তরফে দাবি করা হয়েছে, বোমা ফেলে ভারতীয় বায়ুসেনা গুঁড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল গুরুনানকের প্রাচীর।

তাদের আরও দাবি, ওয়াহেগুরুর দয়ায় ওই বোমা প্রাচীর ধ্বংস করা সম্ভব হয়নি। কুয়োতে পড়ে যায় সেই বোমা। আর ওই জলাশয়েই নাকি স্নান করতেন স্বয়ং গুরু নানক।

করতারপুর করিডরের উদ্বোধনের আগে পরপর এই ভাবেই ভারতের বিরুদ্ধে একের পর এক উস্কানিমূলক চেষ্টা চালিয়েই যাচ্ছে পাকিস্তান। গত বুধবার করতারপুর নিয়ে একটি অফিসিয়াল ভিডিও প্রকাশ করে পাকিস্তান। সেখানে তিন খলিস্তানি জঙ্গির ছবি থাকায় বিতর্ক তৈরি হয়। ওই ভিডিয়োয় খলিস্তানি জঙ্গিদের ছবির সঙ্গে লেখাও ছিল ‘খলিস্তান ২০২০’।

করতারপুর করিডোরের মাধ্যমে ফের খলিস্তানি সন্ত্রাসবাদ খুঁচিয়ে তোলার চেষ্টা পাকিস্তান করবে বলে মনে করছেন গোয়েন্দারা। করতারপুর ইস্যুতে পাকিস্তানের উদ্দেশ্য নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমারিন্দর সিং। চার মিনিটের এই ভিডিয়ো প্রকাশ করেছে পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক।