নয়াদিল্লি: বুধবার বিশ্ব ন্যায় দিবস৷ আর আজই পাক জেলে বন্দি মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত প্রাক্তন ভারতীয় নৌসেনা আধিকারিক কুলভূষণ যাদব মামলার সম্ভাব্য রায়দান৷ ইতিমধ্যেই নেদারল্যান্ডের দ্য হেগে পৌঁছে গিয়েছেন পাকিস্তানের আইনজ্ঞ দল৷ তবে এই মামলা জেতার বিষয়ে আশাবাদী ভারত৷

মূল তিনটি কারণের উপর ভর করে কুলভূষণ যাদবের ফাঁসি রদের বিষয়ে স্বপ্ন দেখছে নয়াদিল্লি৷ কিন্তু যে পাঁচ মিথ্যা বক্তব্যকে সামনে রেখে কূলভুষন মামলায় ভারতকে প্যাঁচে ফেলতে চেয়েছিল পাকিস্তান। তা একনজরে দেখে নিন-

পড়ুন আরও- সবগুলোই খারাপ, চিনের ট্রেন আর কিনবে না বাংলাদেশ রেলওয়ে

১) মামলা চলাকালীন পাকিস্তানের অ্যাটর্নি খাওয়ার কুরেশি জানান যে, কুলভূষণ কেসের সঙ্গে ভিয়েনা কনভেনশনের কোনও সম্পর্ক নেই এবং তাঁরা ভিয়েনা কনভেশন লঙ্ঘনও করেনি। উল্টোদিকে বারবার দাবি করা সত্তেও ভারতকে কুলভূষণের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগ স্থাপন করতে দেয়নি।

২) পাকিস্তানের দাবি যে কুলভূষণকে পাকিস্তানের বালোচিস্তান থেকে আটক করা হয়েছিল। কিন্তু সত্যিটা হল ইরান থেকে অপহরণ করা হয়েছিল যাদবকে।

পড়ুন আরও- ঈদে গরু বলি দেবেন না, আবেদন মুসলিম মন্ত্রীর

৩) পাকিস্তানের দাবি তারা কুলভূষণ কেসে যথাযথ শুনানি দিয়েছে। কিন্তু আসলে নৌসেনা অফিসার কুলভূষণ যাদব কেসের কোনও অন্তিম স্থানে না পৌঁছেই মৃত্যুদণ্ডের সিদ্ধান্ত দিয়েছে।

৪) পাকিস্তান কুলভূষণের একটি স্বীকারোক্তির ভিডিও সামনে আনে। কিন্তু জোর করে চাপের মধ্যে কুলভূষণকে স্বীকার করানো হয়েছে।

৫) যাদব একমাত্র করুণায় বেঁচে যেতে পারেন। দাবি পাকিস্তানের। কিন্তু ভারতের দাবি পরিকল্পিত ভাবে কুলভূষণকে খুন করার ছক কষছে পাকিস্তান।