শ্রীনগর: কমপক্ষে দেড়শো পাকিস্তানি জঙ্গি সীমান্তের ওপাড়ে জড়ো হয়েছে। ভারতে অনুপ্রবেশের মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে ওই পাক জঙ্গিরা। পাক অধিকৃত কাশ্মীরে শিবির করে রয়েছে ওই জঙ্গিরা। এমনই জানিয়েছেন জম্মু-কাশ্মীরের ডিরেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ দিলবাগ সিং।

ভারতে নাশকতার উদ্দেশ্যে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে জড়ো হয়েছে জঙ্গিরা। কমপক্ষে দেড়শো জঙ্গি ঘাঁটি গেড়ে রয়েছে ওই এলাকায়। ইতিমধ্যেই ওই জঙ্গিদের পাক মাটিতে প্রশিক্ষণ হয়েছে। এবার তাদের ভারতে ঢোকানোর মরিয়া চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

এর আগে কুপওয়ারার কেরান সেক্টরে সেনার গুলিতে নিহত হয় ৫ জঙ্গি। নিহত ৫ জনই পাকিস্তান থেকে কাশ্মীর সীমান্ত দিয়ে ভারতে ঢুকেছিল বলে দাবি জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের ওই শীর্ষ কর্তার।

ইতিমধ্যেই গোয়েন্দারা পাক অধিকৃত কাশ্মীরে জঙ্গিদের ঘাঁটি গেড়ে থাকার এই খবর জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ প্রশাসনকে জানিয়েছে। সেই তথ্য পেয়েই সীমান্ত এলাকাগুলিতে কড়া নজর রাখা হয়েছে। জঙ্গিদের সব পরিকল্পনার মোক্ষ জবাব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ওই পুলিশকর্তা।

বুধবারই কাশ্মীরের পুলওয়ামায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে নিহত হয় মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি রিয়াজ নাইকুর। বুধবার সকাল থেকেই চলছিল গুলির লড়াই।

আর সেই লড়াইয়ে খতম করা হয়েছে রিয়াজকে। মঙ্গলবার রাতেই তার বডিগার্ডকে মেরে ফেলে সেনাবাহিনী। এরপরই ঘিরে ফেলা হয় নাইকুকে।

অবন্তীপুরার পুলওয়ামায় চলছিল সেই এনকাউন্টার। জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ, সেনাবাহিনী ও সিআরপিএফ যৌথভাবে সেই অভিযান চালায়।

কাশ্মীরে একাধিক অপহরণের ঘটনায় যুক্ত ছিল এই রিয়াজ নাইকু। ২০১৬ সালে সেনার গুলিতে বুরহান ওয়ানির মৃত্যুর পরে হিজবুল মুজাহিদিনের নেতৃত্ব-স্থানীয় জায়গায় উঠে আসে নাইকু।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প