ইসলামাবাদ: কয়েকদিন আআগে ভারতের বিরুদ্ধে ভাষণ দিতে গিয়ে ইলেকট্রিকের ঝটকা খেলেন পাকিস্তানের রেলমন্ত্রী। তবে এবার আরও বেশি হাসির খোরাক জোগালেন পাকিস্তান মুত্তাহিদা কোয়ামি মুভমেন্ট পার্টির ফাউন্ডার আলতাফ হুসেন। একজন পাকিস্তানি যখন উদার কন্ঠে গেয়ে ওঠেন, ‘সারে জাহা সে আচ্ছা, হিন্দুস্তান হামারা’, তা মজার উপাদান জোগায় বৈকি।

শুধু তাই নয়, এক অনুষ্ঠানে গিয়ে তিনি বলেছেন, কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বিলোপ করা ভারতের অন্তবর্তী বিষয়, যা নাকি পাকিস্তানের অন্যান্য নেতাদের মতের পরিপন্থী।

তাঁর দল পাকিস্তান মুত্তাহিদা কোয়ামি মুভমেন্টের তরফ থেকে এক বিবৃতিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, আলতাফ হুসেন বলেছেন কাশ্মীর থেকে আর্টিকল ৩৭০ তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভারতের অন্তবর্তী বিষয়। আর ভারত যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা ভারতের মানষের পূর্ণ সমর্থনেই নেওয়া হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, পাকিস্তান অন্তত চারবার যুদ্ধে ভারতের মুখোমুখি হয়েছে আর প্রত্যেকবারই হেরেছে। এমনকি পাকিস্তান কীভাবে ভারতে জঙ্গি অনুপ্রবেশ করাচ্ছে, সেটাও উল্লেখ করা হয়েছে ওই বিবৃতিতে।

কয়েকদিন আগেই এক প্রকাশ্য জনসভায় বক্তব্য রাখছিলেন পাকিস্তানের রেলমন্ত্রী শেখ রশিদ। চলতি কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছিলেন তিনি। ঠিক তখনই বিদ্যুতের ঝটকা লাগে তাঁর। আর এই সম্পূর্ণ ঘটনাটি মোবাইল বন্দী হয়ে যায় নিমেষেই। যা বর্তমানে নেটিজেনদের রশদ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুলভাবে ছড়িয়ে পড়ে ভিডিওটি।

বিদ্যুতের ঝটকা খেয়েও খান্ত হন নি মন্ত্রী। বিদ্যুতের ঝটকা লাগার সময় পাক মন্ত্রীর গলায় শোনা যাচ্ছিল- “কারেন্ট লাগল। কিন্তু কোন ব্যাপার নয়। আমার মনে হচ্ছে কারেন্ট এসে গেল।” তারপরে ফের জনতা ধরে রাখতে ভাষণ শুরু করেন মন্ত্রী।

পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান অবশ্য এই ঘটনার জের টেনে জানিয়েছেন, কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করে ভুল করেছে ভারত। তিনি অভিযোগ করেছেন, ভারত এখন পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে (পিওকে) নজর দিচ্ছে। কিন্তু তার বাহিনীও যথেষ্ট সক্রিয়। তাঁরাও নিয়ন্ত্রণ রেখার (এলওসি) উপর নিবিড় নজর রাখছে।