নয়াদিল্লি: ফের ইন্ডিয়ান কোস্ট গার্ডের তৎপরতায় ধরা পড়ল বিপুল পরিমাণ মাদক৷ সংবাদ সংস্থা এএনআই-এ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয় জলসীমায় ঢুকে পড়া এই পাকিস্তানি বোটে ছিল ১৯৪ প্যাকেট নারকোটিক্স৷ এইসব কিছু বাজেয়াপ্ত করে ভারতের উপকূলীয় নিরাপত্তারক্ষী বাহিনী৷ পাক বোটটিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে৷

কি উদ্দেশ্যে তারা এই বিপুল পরিমাণ মাদক নিয়ে প্রবেশ করেছিল, কোথায় যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল, কে কে রয়েছে এর পিছনে, এই সমস্ত প্রশ্ন উঠে আসছে৷ চলছে অনুসন্ধানও৷

প্রসঙ্গত, এর আগে মার্চের শেষ সপ্তাহে পাকিস্তান থেকে মাদক পাচারের ছক বানচাল করে এটিএস উপকূলরক্ষাবাহিনী৷ প্রমাণ লোপাট করতে নৌকায় বিস্ফোরণ ঘটানো হয়৷ বিস্ফোরণ সত্ত্বেও নষ্ট হয়নি সেই মাদক, জানায় পুলিশ৷

এএনআই সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর থেকে জানা যায়, পোরবন্দরে মাঝসমুদ্রে আটক ড্রাগ ভর্তি নৌকা আটক করে এটিএস উপকূলরক্ষাবাহিনী৷ প্রমাণ লোপাটের জন্যই বিস্ফোরণ ঘটানো হয়৷ তবে সেই বিস্ফোরণে বিশেষ লাভ হয়নি৷ প্রায় ৫০০ কোটির মাদক উদ্ধার করা হয়, সেই সঙ্গে গ্রেফতার করা হয় ৯ জনকে৷

এই ঘটনায় এটিএসের সঙ্গে ছিল ভারতীয় উপকূলরক্ষাবাহিনীও৷ ৯ ইরানি নাগরিকদের তারা ধরে, ১০০ কিলোগ্রাম হেরোইন উদ্ধার হয়৷ পোরবন্দরে ড্রাগভর্তি এই বোট আটকাতে তৎপর হতেই গুজরাত এটিএসের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে মাদক পাচারকারীদের৷ প্রায় ৫০০ কোটির মাদক উদ্ধার হয় এই বোট থেকে৷ শোনা যায়, এই বোটটি পাকিস্তানে হামিদ মালিক পাঠিয়েছিল৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।