নয়াদিল্লি: সীমান্তে উত্তেজনা কমার বালাই নেই৷ উপরন্তু তা আগের থেকে বহুগুণ বেড়ে গিয়েছে৷ আর বালাকোট এয়ারস্ট্রাইকের পর ‘জখম’ পাকিস্তান বদলা নিতে সংঘর্ষবিরতিকেই হাতিয়ার করেছে৷ পরিসংখ্যান বলছে, কাশ্মীর সীমান্তে কম করেও ৫০০ বার সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করেছে পাকিস্তান৷ ভারতীয় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে এমনটাই জানানো হয়েছে৷

ফাইল ছবি

তবে উদ্বেগের বিষয় হল, সংঘর্ষবিরতির ক্ষেত্রে পাকিস্তান এমন সব অস্ত্র ব্যবহার করছে যা সাধারণত যুদ্ধে ব্যবহার করা হয়৷ এবং সেনাছাউনি কম, সীমান্ত লাগোয়া বসতি এলাকাগুলি লক্ষ্য করে হেভি শেলিং করছে পাক সেনা৷ ফলে নিরীহ মানুষের প্রাণ যাচ্ছে৷ ক্ষয়ক্ষতির বহর হচ্ছে৷ স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হচ্ছে৷ ২৬ ফেব্রুয়ারি বালাকোটের এয়ারস্ট্রাইকের পর ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ যার মধ্যে চার জওয়ানও রয়েছে৷ এছাড়া ৪৫ জন স্থানীয় বাসিন্দা গুরুতর জখম হয়েছে৷

চুপ করে বসে নেই ভারতও৷ প্ররোচনা ছাড়া পাক গোলাগুলি বর্ষণ শুরু করলেই ভারতও এপার থেকে সমুচিত জবাব দেয়৷ লেফটেন্যান্ট জেনারেল পরমজিত সিং জানান, ভারতের প্রত্যুত্তরে পাকিস্তানেরও প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে৷ দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, এলওসিতে প্রচুর পরিমাণে সেনা মোতায়েন করা আছে৷ পাকিস্তান হামলা করলেই জওয়ানরা দেরি না করে পাল্টা জবাব দিতে শুরু করে৷ ভারতের ছোঁড়া প্রতিটা অস্ত্র লাগে সঠিক নিশানায়৷ যার ফলে অনেক পাক সেনার মৃত্যু হয়েছে৷

পাকিস্তান কাশ্মীরে শান্তি ফিরিয়ে আনতে ভারতের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চায় বলে বারবার দাবি করে ইসলামাবাদ৷ অথচ কাশ্মীরে শান্তি ফেরাতে বিন্দুমাত্র আগ্রহী নয় পাক সেনা৷ বরং উপত্যকাকে কীভাবে অশান্ত করে রাখা যায় সেই ষড়যন্ত্রের জাল বোনে তারা৷ লেফটেন্যান্ট জেনারেল জানান, ভারতীয় জওয়ানরা শত্রুদের এই পরিকল্পনা কিছুতেই সফল হতে দেবে না৷ উপত্যকাবাসীর সাহায্যে তারা শত্রুদের সমস্ত ছক বানচাল করে দেবেই৷