ভারতীয় সেনা, ফাইল ছবি

শ্রীনগর:  ফের সংঘর্ষ বিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করল পাকিস্তান সেনা। বিনা প্ররোচনাতে লাগাতার শেলিং পাকসেনা। পুঞ্চ সেক্টরের বালাকোট সেক্টরে ভারতীয় সেনা ছাউনি টার্গেট করে শেলিং চালাচ্ছে পাকসেনা। সীমান্ত সংলগ্ন গ্রামগুলিকেও টার্গেট করা হচ্ছে।

যদিও পালটা প্রত্যাঘাত ভারতীয় সেনাতর তরফেও। কড়া ভাষায় জবাব দেওয়া হচ্ছে পাকিস্তান সেনাকে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। দুপক্ষের গোলাগুলিতে ব্যাপক উত্তেজনা। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, প্রায় প্রত্যেকদিন বিনা প্ররোচনায় জম্মু-কাশ্মীর সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সংঘর্ষ বিরতি লঙ্ঘন করছে পাক সেনা। চলতি বছরের জুন মাস পর্যন্ত পাওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২৪৩২ বার সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সংঘর্ষ বিরতি লঙ্ঘন করছে পাকিস্তান। মৃত্যু হয়েছে ১৪ জন ভারতীয়ের। আহতের সংখ্যা ৮৮।

ভারতীয় সেনার এক সূত্র সংবাদমাধ্যমকে বলেছে, ‘লাগাতার বিনা প্ররোচনায় সীমান্তে সংঘর্ষ বিরতি ঘটাচ্ছে পাকিস্তান। আমরা এর কড়া প্রতিবাদ করেছি।’ সেনাবাহিনীর ডিরেক্টর জেনারেল পর্যায়ে বৈঠকের পরও পাকিস্তানের দিক থেকে কোনও পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়নি বলে জানিয়েছেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর আধিকারিকরা।

অন্যদিকে, লাদাখে চিনের সঙ্গে লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোলে সংঘর্ষের মাঝেই পাকিস্তানের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সীমানায় নজরদারি বাড়াল সীমান্ত রক্ষা বাহিনী। পাকিস্তানকে রুখতে বদ্ধপরিকর বর্ডার সিকিউরিটি ফোরস।

জুনের ২০ তারিখ জম্মুর কাঠুয়া জেলায় আন্তর্জাতিক সীমানার কাছে অস্ত্রভর্তি পাক ড্রোনকে আটকে দিয়েছে বিএসএফ। সেখানে আমেরিকান রাইফেল, সাতটি গ্রেনেড এবং দুটি ম্যাগাজিন রাইফেল পাওয়া গিয়েছে। সেইসব অস্ত্র জঙ্গিদের কাজে ব্যবহার করার জন্য পাকিস্তান হেক্সাকপ্টার করে নিয়ে যাচ্ছিল বলেই জানা গিয়েছে বিএসএফ সূত্রে।

সেদিনের ঘটনার পর থেকেই পাকিস্তানের জঙ্গিমূলক কার্যকলাপ আটকাতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সীমান্ত রক্ষা বাহিনী। সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় বাড়ানো হয়েছে পেট্রলিং। অনুপ্রবেশ আটকাতে তৎপর বিএসএফের তরফে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ