ইসলামাবাদ: পাকিস্তানে নিষেধাজ্ঞা জারি হল একাধিক সোশ্যাল মিডিয়ার উপর। স্থানীয় মিডিয়া সূত্রে খবর, পাকিস্তান টেলিকমিউকেশন অথিরিটি ১৬ এপ্রিল থেকে অস্থায়ীভাবে বন্ধ হল হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক, টুইটার ও টিকটর। কয়েক ঘণ্টার জন্য এই সামাজিক মাধ্যমগুলি বন্ধ থাকবে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, এদিন বিকেল ৪টে পর্যন্ত বন্ধ থাকবে এই সোশ্যাল সাইটগুলি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিষিদ্ধ কিছু ধর্মীয় গোষ্ঠী যে হিংসাত্মক প্রতিবাদ ছড়িয়েছে তা বন্ধ করার জন্যই শুক্রবার বিকেল চারটা পর্যন্ত সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলির পরিষেবা বন্ধ রাখা হবে। কর্তৃপক্ষের তরফে যে নোটিফিকেশন পাঠানো হয়েছে সেখানে বলা হয়েছে, টিএলপি যে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে জড়িয়ে পড়েছে, তা বিশ্বাস করার জন্য ফেডারেল সরকারের কাছে যুক্তিসঙ্গত কারণ রয়েছে। দেশের শান্তি ও সুরক্ষা নষ্টে এটি সাহায্য করেছে বলে অভিযোগ। জনসাধারণকে ভয় দেখিয়ে দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে চাইছে এরা। এছাড়া এরা আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলির কর্মচারীদের এবং নিরপরাধ বাই-স্ট্যান্ডারদের শারীরিক ক্ষতি সাধন করছে। তাদের আহত হওয়া ও মৃত্যুর জন্যই এরা দায়ী বলে অভিযোগ। বেসামরিক নাগরিক ও কর্মকর্তাদের উপর হামলা, বিরাট আকারে বাধা সৃষ্টি, হুমকি দেওয়া, অপব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে এদের বিরুদ্ধে। এও বলা হয়েছে সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর, লুঠ ও অগ্নিসংযোগ, হাসপাতালগুলিতে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য সরবরাহ বন্ধ এবং সরকারকে ও জনসাধারণকে হুমকি, জোর করা, ভয় দেখাচ্ছে এরা। তাদের ব্যবহার সমাজ ও জনসাধারণের মধ্যে ভয় ও নিরাপত্তাহীনতার বোধ তৈরি করেছে।

এর আগে পাকিস্তান সরকার ইসলামিক পার্টি তেহরিক-ই-লাবাইক বা টিএলপি-কে পাকিস্তানকে অ্যান্টি টেরোরিজম অ্য়াক্টের আওতায় নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল। এবার তাদের কেন্দ্র করেই বড়সড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। বুধবার আইন প্রণয়নকারী এজেন্সির সঙ্গে এই দলের লড়াই হয়। ঘটনায় ৩০০ জন পুলিশকর্মী আহত হন। এরপরই এই সিদ্ধান্ত জারি করে পাকিস্তান সরকার।

এদিকে, ভারত ও পাকিস্তানের কূটনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে চলছে টানাপোড়েন। এর মধ্যে হঠাৎই হিমাচল প্রদেশের ধর্মশালার বুকে পাকিস্তানি মোবাইল নেটওয়ার্কের সিগন্যাল ধরা পড়ল। যে ঘটনা ঘিরে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে শৈলশহরে। আকাশ পথের নিরিখে হিমাচল প্রদেশের ধর্মশালা থেকে পাকিস্তান সীমান্তের দূরত্ব ১৪০ কিলোমিটার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.