জয়পুর: বেশ কিছুদিন ধরেই নজর ছিল এই ব্যক্তির ওপরে৷ অভিযোগ ছিল পাকিস্তানের হয়ে চরবৃত্তির৷ রাজস্থানের বারমেড় থেকে অবশেষে গ্রেফতার করা হব পাকিস্তানি চরকে৷ এই অভিযুক্ত ভারতীয় সেনা ও বিএসএফের কাছ থেকে গোপনে তথ্য চুরি করে পাকিস্তানে পাচার করত বলে অভিযোগ৷

ভারতীয় সেনা সূত্রে খবর, পাক সেনার সাহায্যে বারমেড় দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে এই ব্যক্তি৷ তারপর থেকেই তথ্য সংগ্রহের মিশনে ছিল সে৷ ভারতীয় সেনার হাতে গ্রেফতার হওয়ার পর তার কাছে কি কি তথ্য রয়েছে তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে৷

আরও পড়ুন : ভারত সীমান্ত থেকে পাকিস্তান নাম মুছে দিল শেখ হাসিনার সরকার

জানা গিয়েছে, সীমান্তে ভারতীয় সেনার গতিবিধি ও বিএসএফের নজরদারি চালানোর প্রক্রিয়া সম্পর্কে তথ্য পাঠাত এই ব্যক্তি৷ কিশোর নামের এই ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জয়পুরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে৷ সেনা সূত্রে খবর সীমান্তের কাঁটাতারের নীচ দিয়ে হামাগুড়ি দিয়ে এই ব্যক্তি বারতে প্রবেশ করে৷ দিন কয়েক গা ঢাকা দিয়ে থাকলেও, স্থানীয়দের সন্দেহ হওয়ায় তারা ওই ব্যক্তিকে ধরে ফেলেন ও নিরাপত্তা কর্মীদের হাতে তুলে দেন৷

জিজ্ঞাসাবাদের সময় ধৃত কিশোর জানিয়েছে, তার এক মামা তাকে ভারতে পাঠায় তথ্য সংগ্রহের জন্য৷ পাকিস্তানের খোকরাপুর পর্যন্ত সে ট্রেনে আসে৷ সেখান থেকে পাক সেনার সাহায্যে ভারতে প্রবেশ করে৷
তিন ধরে তার জিজ্ঞাসাবাদ চলবে বলে জানানো হয়েছে সেনা সূত্রে৷ তবে ওই ব্যক্তি ক্রমাগত নিজের বয়ান বদল করছে বলে খবর৷ তবে ওই ব্যক্তি যাতে ঘন জঙ্গলের মধ্যে লুকিয়ে নিজের কাজ করতে পারে, তার জন্য তাকে সবুজ রংয়ের জামা পড়ানো হয়েছিল৷

আরও পড়ুন : মুকেশ অম্বানিকে পাল্টা জবাব দিল ফেসবুক

সেপ্টেম্বরের শুরুর দিকে, দুই পাক নাগরিককে কাশ্মীর থেকে গ্রেফতার করা হয়৷ তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেই জানা যায় সীমান্তের ওই পারে প্রায় ৫০ জন লস্কর জঙ্গি ভারতের অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে৷

এদিকে, অগাষ্ট মাসেও ভারতীয় সেনার গোপন তথ্য পাচার করা হচ্ছিল, সেটা জানতে পেরে হরিয়ানা থেকে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। এরা একাধিক স্পর্শকাতর তথ্য পাকিস্তানি হ্যান্ডলারের হাতে তুলে দিচ্ছিল বলে জানা যায়৷ ধৃতরা হল রাগিব, মেহতাব ও খালিদ। এরা সবাই উত্তরপ্রদেশের মুজফফরনগরে থাকে বলে খবর মেলে৷ আর্মি ক্যান্টমেন্ট এলাকায় বিভিন্ন বিল্ডিং তৈরিতে শ্রমিকের কাজ করত এরা। তাদের পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়৷