নয়াদিল্লি: বহু সময়েই ভারতে পাশে থাকতে দেখা গিয়েছে বাংলাদেশি বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিনকে৷ মঙ্গলবার ভোর-রাতে পাকিস্তানের মাটিতে থাকা জঙ্গি শিবির ভারতের ধ্বংস করার খবর জানাজানি হওয়ার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নির্বাচিত কলমের লেখিকা৷ এবারে যথারীতি জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করার জন্য ভারতের প্রশংসাই করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে৷

এদিনের ঘটনা প্রসঙ্গে তসলিমা নাসরিন টুইট করে জানিয়েছেন,পাকিস্তান তো বলেছিল জঙ্গিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে৷ এবার তো তাহলে তাদের ভারতকে ধন্যবাদ জানান উচিত কারণ বালাকোটে জঙ্গিঘাটি গুড়িয়ে দিয়েছে বলে৷ জঙ্গিরা কোনও দেশের পক্ষেই ভাল নয়৷

প্রসঙ্গত, ১২ দিন আগে পুলওয়ামায় আত্মঘাতী বিস্ফোরণে উড়ে গিয়েছিল সিআরপিএফের একটা বাস। মুহূর্তের মধ্যেই ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় ৪৪ জন জওয়ানের দেহ। সেই রক্তপাতের জবাব নেওয়ার জন্য গত কয়েক দিন ধরে ফুটছিল গোটা দেশ। অবশেষে ২৬ ফেব্রুয়ারি সকালে এল সেই খবর। পাকিস্তানের সীমান্ত পেরিয়ে জঙ্গিদের ঘাঁটি বোমায় উড়িয়ে দিয়ে প্রতিশোধ নিয়েছে বায়ুসেনা। ভোর সাড়ে তিনটেয় হয়েছে সেই অপারেশন।

এদিকে ভারতের এয়ার স্ট্রাইকের পর দেশের মাটিতে মুখ পুড়েছে পাকিস্তানের৷ বিরোধীদল গুলি ইমরান খানের সরকারের বিরুদ্ধে খড়গহস্ত হয়েছে৷ সংসদে দাঁড়িয়ে তাঁরা ‘শেম শেম’ আওয়াজ তুলেছে৷ পাক সরকারের মন্ত্রী যখন সংসদে দাঁড়িয়ে সাফাই দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন তখন বিরোধী দলগুলি তারস্বরে শেম শেম বলে চিৎকার করতে থাকে৷ ভারতের এই এয়ার স্ট্রাইকের ফলে অস্বস্তিতে পড়েছেন ইমরান খানের সরকার৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।