ইসলামাবাদ: বুলেট ট্রেন চালানোর মত আর্থিক অবস্থা নেই পাকিস্তানের। এমনটাই স্বীকার করে নিলেন খোদ সে দেশের রেলমন্ত্রী। পাকিস্তানের রেলমন্ত্রী খোয়াজা সাদ রফিক বলেন, হাই স্পিডের একটি ট্রেন চালানোর কথা হলেও, তা বাস্তবায়িত হচ্ছে না। এমনকি চিনও তাদেরকে তেমনটাই পরামর্শ দিচ্ছে।

৪৬ বিলিয়ন ডলারের চিন-পাকিস্তান ইকনমিক করিডরের আওতায় এই উচ্চগতিসম্পন্ন ট্রেন চালু করছে পাকিস্তান। তবে পাক রেলমন্ত্রীর কথায়, চিন হেসেই উড়িয়ে দেয় বুলেট ট্রেনের কথা। তারা জানায়, এই প্রজেক্টের আওতায় ১৬০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতির ট্রেন চালু করা যাবে। কিন্তু আসল বুলেট ট্রেন চালানোর কোনও প্রয়োজন নেই বলেই মনে করছে চিন।

রেলমন্ত্রী আরও বলেন, বুলেট ট্রেনের কথা নির্বাচনী ইস্তেহারে থাকা সত্ত্বেও সেই প্রজেক্ট চালু না হওয়ায় বারবার বিতর্কের সম্মুখীন হতে হয়েছে পাক সরকারকে। তবে এই প্রজেক্ট চালু করার মত টাকা নেই বলেই স্বীকার করে নিলেন পাক মন্ত্রী। তাঁর মতে, এই বুলেট ট্রেন চালু করা হলেও সেই ট্রেনের টিকিট কাটার মত যাত্রী পাওয়া যাবে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি। পাকিস্তানের অ্যাসেম্বলিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে একথা বলেন মন্ত্রী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।