ইসলামাবাদ: পাকিস্তানে করোনার প্রথম বলি। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে পাকিস্তানের মৃত্যু হল একজনের। একদিকে যখন পাকিস্তানের করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, তারই মধ্যে সামনে এলো আরও এক আতঙ্কের খবর।

মৃত ব্যক্তি পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের হাফিজাবাদ এর বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। সোমবার রাতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁকে যখন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন তাঁর জ্ঞান ছিল না বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। এরপর মঙ্গলবার সকালে তাঁর মৃত্যু হয়।

এমনিতেই পাকিস্থানে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করছে। পাকিস্তানের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় ১১৫ জন করোনা আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। মঙ্গলবার নতুন করে পাঁচজনের এই ভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার খবর সামনে এসেছে। এরা সবাই সিন্ধ প্রদেশের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে পাকিস্তানি ১৯১।

পাকিস্তানের এই পরিস্থিতির জন্য অনেকেই প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সরকারকে দোষারোপ করছেন। জানা গিয়েছে আক্রান্তরা বেশিরভাগই ইরান থেকে এসেছেন। এদেরকে প্রাথমিকভাবে ১৪ দিনের জন্য পাকিস্তান-ইরান সীমান্তে রাখা হয়েছিল। তারপর কর্তৃপক্ষের অনুমতি নেওয়ার পরে তারা নিজেদের দেশে ফিরে গিয়েছেন।

কিন্তু সঠিকভাবে আইসোলেশন এর ব্যবস্থা রাখা হয়নি বলে অভিযোগ তুলেছেন অনেকেই। সরকারের বিরুদ্ধে তাদের অভিযোগ প্রাথমিকভাবে কোন সর্তকতা নেওয়া হয়নি। বিশেষত তীর্থযাত্রীদের সেইভাবে পরীক্ষার কোনও ব্যবস্থা ছিল না বলেও জানা গিয়েছে। ফলে তীর্থ যাত্রীরা দ্রুত আক্রান্ত হয়েছেন।

পাকিস্তানের ১৪ বছরের এক নাবালকের শরীরে এই ভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া গিয়েছে। সেখানকার হেলথ অফিসার জামান শাহ জানিয়েছেন ওই নাবালককে আইসোলেশন রাখা হয়েছে।

করাচি বিমানবন্দরে করা সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে, যাত্রীদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। সিন্ধ প্ৰদেশের সরকারি মুখপাত্র মুর্তাজা ওয়াহাব জানিয়েছেন এই ভাইরাস প্রতিহত করার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে আরো কড়া পদক্ষেপ নিতে হতো তিনি মনে করেন প্রধানমন্ত্রীকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।