ইসলামাবাদ : পাকিস্তান বরাবর চিনের ধামাধারী। এ তথ্য অজানা নেই কারোর। এবার সেই পাকিস্তানকে ব্যবহার করে ভারতের বিরুদ্ধে গুটি সাজাচ্ছে চিন। একদিকে যেমন লাদাখে মুখোমুখি ভারত ও চিন সেনা। অন্যদিকে, এবার প্রস্তুত হচ্ছে চিনের নৌবাহিনী। সূত্রের খবর পাকিস্তানের বালোচিস্তান প্রদেশের কাছে গোয়াদার বন্দর ব্যবহার করে সেখানে নিজের নৌবাহিনীর শক্তিবৃদ্ধি করছে বেজিং।

প্রতিরক্ষা বিষয়ক ম্যাগাজিন ফোর্বস জানাচ্ছে গোয়াদার বন্দরকে চিন ব্যবহার করতে চলেছে নিজেদের নৌবাহিনীর ঘাঁটি হিসেবে। সাম্প্রতিক কিছু উপগ্রহ চিত্র হাতে এসেছে ফোর্বসের। সেই চিত্র জানাচ্ছে ভারত মহাসাগরে নিজেদের শক্তি বাড়াতে পাকিস্তানের গোয়াদার বন্দরকে বেছে নিয়েছে চিন। সেই মত কাজ চলছে।

উল্লেখ্য গত কয়েক বছর ধরেই গোয়াদার বন্দরে নির্মাণ কাজ চালাচ্ছে বেজিং। তবে ২০১৯ সালেই পাক বন্দরটিকে চিনের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। সেই বন্দরে নিজেরাই নির্মাণ কাজ ও উন্নয়ন কাজ করে আসছিল চিন। ভারতের ওপর নজরদারি চালাতে এর আগেও গোয়াদার বন্দরকে একাধিক বার ব্যহার করতে দেখা গিয়েছে বেজিংকে।

এদিকে, উপগ্রহ চিত্রে দেখা গিয়েছে গোয়াদার বন্দরে বেশ কিছু নতুন ঘাঁটি গড়ে উঠেছে। এদের মধ্যে একটি বন্দর নির্মাণকারী চিনা কোম্পানি বলে চিহ্নিত করা গিয়েছে। এছাড়াও রয়েছে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

এপ্রিল মাসেই পাকিস্তানের বন্দর নগরী করাচিতে চিনের সেনাবাহিনীর সামরিক মহড়া চালানোর একটি ভিডিও টুইটারে প্রকাশিত হয়েছে। স্যাটেলাইটের মাধ্যমে এমন সমস্ত ছবি এবং ভিডিও ফাঁস হয়ে যায়। আর যা নিয়ে তীব্র বিতর্কের জন্ম হয়। পাকিস্তানের মাটিতে চিনা সেনাবাহিনীর সামরিক মহড়া তীব্র বিতর্কের জন্ম দেয়। স্যটেলাইটের মাধ্যমে তোলা এই ছবি এবং ভিডিও ঘেঁটে এটি বের করেছন ডি-আটিস নামের টুইটার ইউজার।

এতে দেখা যায়, পাকিস্তান নৌবাহিনীর হোভারক্রাফট করাচির মানোরা সৈকতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। পিএনএস কাসিম নামের পাক নৌবাহিনীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থল ঘাঁটির পাশেই এটির অবস্থান। অবশ্য, অন্যান্য সূত্র থেকে জানা যায়, হোভারক্রাফটিতে পাকিস্তান এবং চিন উভয় দেশের নৌ সেনারা রয়েছেন।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প