নয়াদিল্লি: ফের একবার রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানকে কোণঠাসা করল ভারত। রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে পাকিস্তানকে একহাত নেয় নয়াদিল্লি। মানবাধিকার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে যোগ্য উত্তরাধিকার বহন করে চলেছে পাকিস্তান বলে ব্যাখ্যা করে ভারত। বুধবার রাষ্ট্রসংঘে ভারতের ফার্স্ট সেক্রেটারি অ্যাট হিউম্যান রাইটস রেকর্ড পবন বাধে জানান পাকিস্তান এমন একটি দেশ, যারা অসহিষ্ণুতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘন করেই ঐতিহ্য তৈরি করছে।

পবন বাধে এদিন বলেন পাকিস্তানের সংস্কৃতি সন্ত্রাসবাদের। এই দেশের চরিত্র সবাই চেনে। তাই নতুন করে কিছু বলার নেই। আন্তর্জাতিক মঞ্চে বারবার ভারত পাকিস্তান স্বরূপ তুলে ধরেছে। সমর্থনও পেয়েছে বহু দেশের। তবু পাকিস্তানের চেহারা বদলায়নি। ভারতের প্রতিনিধি এদিন জানান, পাকিস্তানে প্রতিদিন অসংখ্য সংখ্যালঘু মানুষ তাঁদের ধর্মাধিকার হারান, মানবাধিকার লঙ্ঘন পাকিস্তানে নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা।

জেনেভায় হিউম্যান রাইটস কাউন্সিলের ৪৫তম সেশনে এই বক্তব্য রাখেন পবন। এদিন ভারত জানায়, গোটা বিশ্ব এগোচ্ছে, উন্নয়নের হার দ্রুত হচ্ছে, কিন্তু পাকিস্তান পড়ে আছে পাকিস্তানেই। এখনও গণতন্ত্র, আধুনিক আইন, মানবাধিকারের অর্থ বুঝে উঠতে পারেনি ওই দেশ।

এদিন জম্মু কাশ্মীরের বিষয়ে নাক গলানোর জন্যও পাকিস্তানকে তুলোধনা করেন ভারতের প্রতিনিধি। তিনি বলেন জম্মু কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাই ওই বিষয় নিয়ে কোনও তৃতীয় ব্যক্তির হস্তক্ষেপ ভারত বরদাস্ত করবে না। বারবার সীমান্তে হানা দেওয়া ও জঙ্গি অনুপ্রবেশে উসকানি দেওয়া বন্ধ করুক ইসলামাবাদ।

পাক বিদেশমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশি দিন কয়েক আগেই বলেছিলেন ভারত অধিকৃত জম্মু কাশ্মীরে ক্রমাগত মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হচ্ছে। সেই প্রেক্ষিতে নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে জানানো হয়, মানবাধিকার রক্ষা নিয়ে অন্তত পাকিস্তান যেন ভারতকে জ্ঞান বা শিক্ষা দিতে না আসে।

পাক মাটিতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের যে হেনস্থা প্রতিদিন হয়, তার জবাব আগে দিক ইসলামাবাদ। এদিন ভারত বলে যে দেশ সন্ত্রাসবাদের উৎসমুখ, তাকে মানবাধিকার নিয়ে কথা বলা মানায় না। এদিন পাকিস্তানকে নার্সারি অফ টেররিজম বলে ব্যাখ্যা করেছে ভারত।

ভারত জানায়, প্রাদেশিক হিংসা, গণহত্যা, ধর্মান্তরিত করা, পাক সেনার অত্যাচার সব সহ্য করতে হয় পাকিস্তানের সংখ্যালঘুদের। বিশেষত বালোচিস্তানের পরিস্থিতি ভয়াবহ বলে উল্লেখ করেন ভারতের ফার্স্ট সেক্রেটারি। এই বিষয়ে ভারত বেশ উদ্বিগ্ন বলেও জানান তিনি। পাক অধিকৃত কাশ্মীরে প্রকৃত কাশ্মীরি আজ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর বলে মন্তব্য করেন তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।