ইসলামাবাদ: পাকিস্তানে ব্যাপক হারে বাড়ছে মুদ্রাস্ফীতি। ফলে চারিদিকে বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে। ব্যাপক হারে মূল্যবৃদ্ধির জেরে  বলা যায় কোমর ভেঙে গেছে সাধারণ মানুষের। সবজির দাম একদিকে যেমন লাফিয়ে বাড়ছে, একই অবস্থা ডালেরও। বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় পাকিস্তানি রুপিতে সবচেয়ে বেশি পতন হয়েছে।

একটি সংবাদ মাধ্যম পাকিস্তান পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য উল্লেখ করে লিখছে, পাকিস্তানে বিভিন্ন পণ্য ও সেবার দাম খুচরা মুদ্রাস্ফীতির হার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বেড়েছে পড়াশোনার খরচ, বাড়ির ভাড়া এবং ইউটিলিটি বিল এবং খাদ্য ও পানীয়ের দাম।

আর্থিক বর্ষ ২০২০ থেকেই পাকিস্তানে মূল্যবৃদ্ধির সম্ভাবনা ছিল। পাকিস্তান সরকার তৎকালীন সময়ে গ্যাস ও বিদ্যুতের ক্ষেত্রে মূল্যবৃদ্ধি করেছিল। প্রকৃতপক্ষে পাকিস্তান সরকার আইএমএফ তরফে পাওয়া বেলআউট প্যাকেজের জন্য অপেক্ষা করছে। আর্থিক ক্ষতি কমাতে পাকিস্তানের এই বেলআউট প্যাকেজটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সর্বোচ্চ মুদ্রাস্ফীতি

পাকিস্তান স্টেট ব্যাংক (এসবিপি) জানিয়েছে, ২০২০ অর্থবর্ষে আমরা বিশ্বে সর্বাধিক মূল্যস্ফীতি দেখেছি। যা আমাদের সুদের হার বাড়াতে বাধ্য করেছে।

ডালের দাম বেড়েছে

পাকিস্তানে খুচরো বাজারে মুগডাল প্রতি কেজি ২২০ থেকে ২৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। একই সঙ্গে চানার দাম হয়েছে ১৬০ টাকা প্রতি কেজি। চিনি মিলছে প্রতি কেজি ৭৫ টাকা। পাকিস্তান পিবিএসের মতে, মুদ্রাস্ফীতি হার রেকর্ড স্তরে পৌঁছেছে।

অন্যদিকে ভারতে এই মুহূর্তে মুগ ডাল মিলছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা প্রতি কেজি। অর্থাৎ প্রায় আড়াই গুণ বেশি টাকা দিয়ে এখন ডাল কিনে খাচ্ছে পাকিস্তানিরা।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ