ইসলামাবাদঃ  ফের একবার প্রকাশ্যে এল পাকিস্তানের মাটিতে সংখ্যালঘু নির্জাতনের ঘটনা। এক নাবালিকাকে অপহরণ করে ধর্মান্তকরণ করা হল। পাকিস্তানের সিদ্ধ প্রদেশে চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে। ঘটনার পর নির্যাতিতাকে মহিলা নিরাপত্তা সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় ফের একবার প্রশ্নের মুখে পাকিস্তানের মাটিতে সংখ্যালঘু নিরাপত্তা?

প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী গত কয়েকদিন আগে সিন্ধের জেকোবাবাদ শহর থেকে এক নবম শ্রেণির ছাত্রীকে অপহরণ করা হয়। এক ব্যক্তি তাকে জোর করে মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করতে বাধ্য করে বলে অভিযোগ। এমনকি ধর্মান্তরিত করার পর ওই ছাত্রীকে বিয়েও করে। এরপরেই স্থানীয় পুলিশের কাছে অভিযুক্ত ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ জানান। শুধু তাই নয়, তাঁর মেয়ে যে নাবালিকা সে বিষয়েও প্রমাণ তুলে দেন পুলিশের কাছে। এরপরেই তদন্ত শুরু করে পুলিশ। গত মঙ্গবার আদালতে এই সংক্রান্ত শুনানি ছিল। শুনানিতে কিশোরীকে নিরাপত্তা সেন্টারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক। তার প্রকৃত বয়স জানতে চান্দকা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল ডাক্তারি পরীক্ষা করার নির্দেশ ও দেওয়া হয়েছে।

যদিও দোষ ঢাকতে ওই ছাত্রীকে দিয়ে একটি ভিডিও বানানো হয়েছে, এমনটাই অভিযোগ নাবালিকার পরিবারের। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, অভিযুক্ত ওই ব্যক্তির পাশে বসে রয়েছে সে। আর ভিডিওতে সে জানাচ্ছে, আমি স্বেচ্ছায় মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করেছি এবং এখন আমার নাম আলিজা। আমি স্বেচ্ছায় বিয়ে করেছি। কেউ আমাকে জোড় করেনি। নাবালিকার পরিবারের অভিযোগ, ভয় দেখিয়ে এবং মারধর করে ওই ভিডিও বানানো হয়েছে।

পাকিস্তানের মাটিতে বারবার আক্রান্ত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়। কিন্তু তা সত্ত্বেও পাকিস্তানে হিন্দুদের উপর অত্যাচার নিয়ে নিরব ইমরান খানের সরকার। এমনকি ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন কিংবা ৩৭০ নিয়ে প্রশ্ন তুললেও এই বিষয়ে একেবারেই স্পিকটি নট পাক সরকার।