নয়াদিল্লি : এতদিন ধরে ‘বড় দাদা’ চিনের হাত ধরে নিজেদের শক্তি বাড়াচ্ছিল পাকিস্তান। এবার সেই হাত কিছুটা হলেও দুর্বল হওয়ায় তুরস্কের কাছে সাহায্যের হাত বাড়াচ্ছে ইসলামাবাদ। জম্মু কাশ্মীরে এর আগে একাধিকবার অস্ত্র ও জঙ্গিদের হাতে অর্থ তুলে দিতে ড্রোনের ব্যবহার করেছে পাকিস্তান।

ভারতের দাবি পাকিস্তান ফের কাশ্মীরে অশান্তি তৈরি করতে চাইছে। তাই ড্রোনের সংখ্যা বাড়াচ্ছে পাক সেনাবাহিনী। এবার নতুন তথ্য মিলেছে। চিন নয়, এবার তুরস্কের একটু ফার্ম থেকে ড্রোন কিনতে চাইছে পাকিস্তান। জানা গিয়েছে পাক সেনা এস-২৫০ মিনি ইউএভি ট্রায়াল দিতে চাইছে। তেসরা সেপ্টেম্বর প্রথম ট্রায়াল হয়, এরপর ৮ থেকে ১৮ সেপ্টেম্বর ট্রায়াল চলে।

এই মিনি ইউএভিগুলো মূলত তিন ঘন্টা ধরে ওড়ার ক্ষমতা রাখে। নজরদারির কাজে এগুলি ব্যবহার করা হবে বলে খবর। মাটি থেকে ১৫০ কিমি ওপরে ওড়ে এই মিনি ইউএভি। গদর, মুজফফরবাদ, বালোচিস্তানের তুরবাটে ট্রায়াল দেওয়া হয়েছে।

অগাষ্ট মাসে পাকিস্তান জানিয়ে ছিল চিনে তৈরি ইউএভি বা মানবহীন ড্রোন সীমান্তে মোতায়েন করা হবে। যাতে নজরদারি চালানো যায় ভারতের ওপর। নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর এই ড্রোনগুলি রাখা হবে। ভারতীয় গোয়েন্দা রিপোর্ট জানায়, প্রচুর এরকম চিনা ড্রোন কিনেছে পাকিস্তান। এই ড্রোনগুলি হল সি এইচ-৪। জানা যায় পাক সেনার ব্রিগেডিয়ার মহম্মদ জাফর ইকবালের নেতৃত্বে ১০ জন সেনা জওয়ান চিন সফর করেন। এই ড্রোন কেনা নিয়ে কথা বলতেই তাঁরা বেজিংয়ে যান বলে খবর।

চিনের এয়ারোস্পেস লং মার্চ ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড কোম্পানি এই মানবহীন ড্রোনগুলিকে বানিয়েছিল। পাকিস্তানের হাতে এগুলি তুলে দেওয়ার কথা ছিল। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরেও এই ড্রোনগুলির উৎপাদন দেখতে চিন সফরে গিয়েছিলেন ইকবাল। তখনই ২০২০ সালে পাকিস্তানের হাতে ড্রোনগুলি তুলে দেওয়ার কথা জানানো হয়।

সি এইচ-৪ ড্রোনগুলি ১২০০ থেকে ১৩০০ কেজি পর্যন্ত ওজন বহনে সক্ষম। পাকিস্তান ছাড়াও এই ড্রোনগুলি ব্যবহার করে ইরাকি সেনা ও রয়্যাল জর্ডানিয়ান এয়ার ফোর্স।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।