নয়াদিল্লি: উপত্যকা-সীমান্তে পাকিস্তানের বারংবার যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন এবং গুলবর্ষণের পাল্টা উত্তর দিয়ে চলেছে ভারতীয় সেনা জওয়ানরা৷ এমনই প্রত্যুত্তর পাকিস্তানকে ভারত দিয়েছিল ১৯৯৯সালে কারগিল যুদ্ধে৷ কিন্তু এই যুদ্ধেই এমন এক বিষয় প্রকাশ্যে এসেছে যা সত্যি হলে হয়তো আজ পাকিস্তানের চেহারা অন্যরকম হতে পারতে বলে মত একাংশের৷

আরও পড়ুন: জঙ্গিবাদে মদত! পাকিস্তানের ৩৫ কোটি অনুদান আটকে দিল পেন্টাগন

একটি সংবাদপত্রের খবর অনুযায়ী, ১৯৯৯সালের ২৪জুন সকাল প্রায় ৮.৪৫মিনিট নাগাদ কারগিল যুদ্ধ যখন চরমে ওঠে সেসময় ভারতের বিমানবাহিনীর একটি জাগুয়ার এলওসি থেকে পাক সেনার প্রধান আস্তানা টার্গেট করে হামলা চালায়৷ লেজার গাইডেড সিস্টেমের মাধ্যমে বোমা ফেলার জায়গা চিহ্নিত করার কাজ করছিল এই জাগুয়ার৷ এর পেছনের দ্বিতূয় জাগুয়ারটি সেই স্থানে বোমা ফেলার কাজটি করার কথা ছিল৷ কিন্তু এই দ্বিতীয় জাগুয়ার লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় এবং পাক সেনার প্রধান ঘাঁটি একটুর জন্য রক্ষা পেয়ে যায়৷ সূত্র অনুযায়ী, যদি এই লক্ষ্যভ্রষ্ট না হত এই জাগুয়ারটি তাহলে তার আক্রমণে পাকিস্তানের প্রাক্তন আর্মি জেনারেল পারভেজ মুশারফ এবং পাক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের মৃত্যু হতে পারতো৷

আরও পড়ুন: সাঁড়াশি চাপে ধসে পড়ছে পাকিস্তানের অর্থনীতি

সংবাদসূত্র অনুযায়ী, ভারত সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২৪জুন জাগুয়ার ACALDS পয়েন্ট ৪৩৮৮কে লক্ষ্য করে হামলা করে৷ কিন্তু যেখানে টার্গেট করা স্থানে বোমা পড়েনি৷ পরে জানা যায়, এই হামলার সময় পাক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ টার্গেট করা স্থানে উপস্থিত ছিলেন৷ যদিও বোমা ফেলার আগে এই তথ্যটি কারও কাছে ছিল না বলেও জানা যায়৷

আরও পড়ুন: ১৯৭১-এ কি হয়েছিল ভেবে দেখুন ভারতের কড়া বার্তা পাকিস্তানকে

প্রসঙ্গত, আগামী ২৬জুলাই ভারতীয় সেনারা পালন করতে চলেছে কারগিল ‘বিজয় দিবস’৷ বুধবার বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তা পালন করা হবে বলে সোমবার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মুখপাত্র জানান৷ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ জয় এবং যুদ্ধবীরদের সম্মান জানাতে, এই দিবস দেশের সর্বত্র মহাসমারোহে পালন করা হয়ে থাকে৷