তেহরানঃ  ক্রমশ চাপ বাড়ছে পাকিস্তানের উপর। ভারতের মিলিটারি বেসে আঘাত আনার চেষ্টা চালিয়ে ছিল পাকিস্তান এয়ারফোর্স। এর জবাব যে ভারত দেবে তা কার্যত বুঝতে পারছে ইমরান সরকার। আর তাই সেই আশঙ্কায় সবার দোরে দোরে ঘুরছে ইসলামাবাদ। ইমরান সরকার চাইছে যেভাবেই হোক আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান হোক। শান্তিপূর্ণ উপায়ে ভারতের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা প্রশমনের উপায় খুঁজে বের করতে ইরানকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছে তেহরানের পাকিস্তান দূতাবাস।

ওই দূতাবাসের তরফে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানায়, ভারত সরকারের রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সন্ত্রাসবাদকে ব্যবহার করার বিষয়ে পাকিস্তান সব সময় নিজের উদ্বেগের কথা জানিয়ে এসেছে। বিশেষ করে ভারতে পার্লামেন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে নাকি ভারত সরকার সন্ত্রাসবাদকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে পারে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, দুঃখজনকভাবে ভারত সরকার কোনো ধরনের তদন্ত কিংবা সাক্ষ্যপ্রমাণ ছাড়াই তাৎক্ষণিকভাবে জঙ্গি হামলার দায় পাকিস্তানের ওপর চাপিয়ে দিয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে কাশ্মীর সীমান্তে সৃষ্ট উত্তেজনা প্রশমনে ইরান ভূমিকা পালন করতে পারে বলে পাক দূতাবাসের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

প্রসঙ্গত গত ১০ ফেব্রুয়ারি ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় কেঁপে ওঠে পুলওয়ামা। ভয়ঙ্কর এই জঙ্গি হামলায় ৪০ জন সিআরপিএফ জওয়ানকে শহিদ হতে হয়। পাকিস্তানের জইশ-ই-মহম্মদ এই হামলার দায় স্বীকার করেছে। কিন্তু এরপরেও প্রমাণ চায় পাকিস্তান। আর সেজন্যে পাকিস্তানে ঢুকে একাধিক জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়ে আসে ভারতীয় বায়ুসেনা। হামলায় ৩০০ থেকে সাড়ে ৩০০ জঙ্গি খতম হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে পাকিস্তান বিমান হামলার বিষয়টিই বেমালুম অস্বীকার করে। এরপর ভারতের আকাশে ঢুকে ভারতের মিলিটারি বেসে হামলার চালানোর চেষ্টা করে পাকিস্তান এয়ারফোর্স। যাতে ক্ষুব্ধ ভারত।