নয়াদিল্লি: সিআরপিএফ কনভয়ে হামলার পর সোমবার সকাল থেকে কাশ্মীরে শুরু হয়েছে এনকাউন্টার। এরই মাঝে ভারতের নিযুক্ত পাক রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠাল পাকিস্তান।

গত বৃহস্পতিবার এই হানায় ৪০ জনেরও বেশি সিআরপিএফ জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে। হামলার দায় স্বীকার করেছে জঙ্গি সংগঠন জইশ-ঈ-মহম্মদ। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসে মদত দেওয়ার অভিযোগ তুলতে শুরু করেছে ভারত সহ একাধিক দেশ। পাক বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র মহম্মদ ফয়জল ট্যুইটারে লিখেছেন ভারতে পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূতকে আলোচনার জন্য ফিরে আসতে বলা হয়েছে।

সোমবার সকালেই তিনি দিল্লি ছেড়েছেন। গত সপ্তাহে পাকিস্তানে ভারতের রাষ্ট্রদূতকে দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হয়। তারপরই পাক রাষ্ট্রদূত সোহেল মামুদকে ডেকে পাঠায় ভারত।

সূত্রের খবর ভারতের রাষ্ট্রদূত এবং পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত উভয়ের মাধ্যমেই দিল্লি ইসলামাবাদকে বিশেষ বার্তা পৌঁছে দিয়েছে। বলেছে জঙ্গি সংগঠনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেই হবে। একইভাবে আমেরিকাও কার্যত হুঁশিয়ারির সুরে পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলেছে।

এদেশের মাটি কে ব্যবহার করে কোনোভাবেই সন্ত্রাসবাদ যাতে মাথা তুলতে না পারে তা নিশ্চিত করতে বলেছে হোয়াইট হাউস। পাশাপাশি বাণিজ্যিক কারণে দেওয়া মোস্ট ফেভার্ড নেশনের তকমাও পাকিস্তানের থেকে কেড়ে নিয়েছে ভারত। আর এই পদক্ষেপের ফলাফল হিসেবে পাকিস্তান থেকে দেশে আসা যে কোনও সামগ্রীর উপর শুল্ক ২০০ শতাংশ বাড়িয়েছে দিল্লি। এর পাশাপাশি অন্য ভাবেও পাকিস্তানের ওপর কূটনৈতিক চাপ বাড়াতে চাইছে দিল্লি।