নয়াদিল্লি: করোনা তহবিলে এখন পর্যন্ত ভারতের অনুদান ১ কোটি মার্কিন ডলার। সাধ্যমতো অন্য দেশও অনুদান দিয়েছে এই তহবিলে। কিন্তু পাকিস্তানের এখানে অনুদান একেবারে শূন্য। উলটে করোনা-তহবিল খরচের ব্যাপারে প্রশ্ন তুলল পাকিস্তান।

করোনাভাইরাসের মোকাবিলা নিয়ে ১৫ তারিখ ভিডিও কনফারেন্সে বৈঠকে বসেছিল সার্কভুক্ত দেশগুলি। সেখানেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, পারস্পারিক সাহায্যার্থে গঠন করা হবে করোনা তহবিল। সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছিল অন্য সব দেশও।

নেপাল ও আফগানিস্তান এই তহবিলে দিয়েছে ১০ লক্ষ মার্কিন ডলার, বাংলাদেশ দিয়েছে ১৫ লক্ষ মার্কিন ডলার। শ্রীলঙ্কা দিয়েছে ৫০ লক্ষ মার্কিন ডলার, মলদ্বীপ দিয়েছে ২ লক্ষ মার্কিন ডলার, ভূটান দিয়েছে ১ লক্ষ মার্কিন ডলার। অন্যদিকে ভারত দিয়েছে ১ কোটি মার্কিন ডলার। ভূটানের মতো দেশ টাকা দিতে পারলেও এই তহবিলে এক টাকাও দেয়নি ইমরান খানের পাকিস্তান।

পাকিস্তানের তরফে উলটে দাবি করা হয়েছে, করোনা তহবিলের বিষয়টির দায়িত্বে থাকুক শ্রীলঙ্কার কূটনীতিক এসালা রুয়ান বীরাকুন। আর পাকিস্তানের এই দাবির পরেই বিশ্বমহলে উঠছে প্রশ্ন। বলা হচ্ছে, একটাকাও অনুদান না দিয়ে পাকিস্তান শুধু মুখেই এমন বড় বড় কথা বলে কী করে?

এই বৈঠক সম্পর্কে প্রথম থেকেই পাকিস্তানের সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। সার্কভুক্ত সব দেশের প্রধানমন্ত্রীরা ওই বৈঠকে উপস্থিত থাকলেও সেদিন পাকিস্তানের তরফে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাফর মির্জা।

অন্যদিকে পাকিস্তানে কিন্তু করোনা আক্রান্তদের অবস্থা খারাপ। অভিযোগ, ইরান থেকে দেশে ফেরা পাকিস্তানিদের যে অস্থায়ী কোয়ারান্টিন শিবিরে রাখা হয়েছে, তার অবস্থা ভয়াবহ। তাঁদের খারাপ পচা খাবার খেতে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। অনেকে জানিয়েছেন, ন্যূনতম পরিষেবাও তাঁরা পাচ্ছেন না। ফলে পাকিস্তানের ইচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে সচেতন মহলে।