ইসলামাবাদ: প্রত্যেক মুহূর্তে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। সংখ্যা কম হলেও, পাকিস্তানের শিরে শমন। ইতিমধ্যেই সেদেশে আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছে ২৮১৮ তে। মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪১-এ।

করোনায় পাকিস্তানের গ্রাফ ক্রমশই উর্ধমুখী। যাতে সিঁদুরে মেঘ দেখছে ইমরান খানের সরকার। ফেব্রুয়ারির ২৬-এ পাকিস্তানে ২ জনের সংক্রমণ ধরা পড়ে। মার্চের ১৪ তারিখ অবধি সংখ্যাটা এসে দাঁড়ায় ৩৩ এ। অর্থাৎ মোট ১৭ দিনে আক্রান্ত হন ৩৩ জন। কিন্তু এরপরেই বদলে যায় চিত্র। লাফিয়ে বাড়তে থাকে আক্রান্তের সংখ্যা।

মার্চের ১৫ থেকে এপ্রিলের ৪-এ গিয়ে সংখ্যাটা দাঁড়ায় ২৮১৮। অর্থাৎ, শেষ ২১ দিনে সংখ্যা বেড়েছে ২৭০০-এরও বেশি। ফলে ব্যাপক চাপে পাক প্রশাসন। ২৮১৮ জনের মধ্যে ১৩১ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন ও ৪১ জন মারা গিয়েছেন।

পঞ্জাবে আক্রান্ত হয়েছেন ১১৩১ জন। সিন্ধু প্রদেশে সংখ্যাটা ৮৩৯, কাইবার পাখতুয়ানে আক্রান্ত ৩৮৩ জন ও গিলিট বালোচিস্তানে আক্রান্ত হয়েছেন ১৭৫ জন, এছাড়া রাজধানী ইসলামাবাদে আক্রান্ত ৭৫ জন, পাক অধিকৃত কাশ্মীরে সংখ্যাটা ১২।

এর আগে প্রশাসনের তরফ থেকে নির্দেশিকা জারি অরে জমায়েতের উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। জানানো হয়েছিল এক জায়গাতে বেশি মানুষজন থাকতে পারবেন না। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছিল তিন থেকে পাচজনেই সময়ে শুক্রবারের প্রার্থনা তে যোগ দিতে পারবেন। তবে অনেক জায়গাতেই পাচ জনের বেশি মানুষকে একসঙ্গে দেখা গিয়েছে।

ইতিমধ্যে পাকিস্তানের সরকারের তরফ থেকে করোনা ভাইরসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সুস্থ করার জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে সুস্থ হয়ে যাওয়া ব্যাক্তিদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। যাতে তাদের শারীরিক পরীক্ষা করে কোন পথ পাওয়া যায়। বিশেষজ্ঞ তাহির শামসি জানিয়েছিলে যে পদ্ধতি ব্যবহার করে চিন সুস্থ হয়ে উঠেছে সেই পদ্ধতির উপরে জোর দিতে। তাহলে সেখানকার মানুশদ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন। এছাড়া বিশ্ব ব্যাংকের তরফ থেকে অনুদান দেওয়া হয়েছে পাক সরকারকে।