নয়াদিল্লি: ডেডলাইন বেঁধে দেওয়া হল পাকিস্তানকে। ইমরানের খানের সরকারকে ৪ মাসের ডেডলাইন বেঁধে দিয়েছে ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স বা এফএটিএফ। সন্ত্রাসবাদে মদত দেওয়ার অভিযোগে পাকিস্তানের নাম এখন ধূসর তালিকায়। আর এই তকমা ঘোঁচানোর জন্য পাকিস্তানের কাছে সময় এখন মাত্র ৪ মাস।

এফএটিএফ-এর ধূসর তালিকা থেকে বেরিয়ে আসতে পাকিস্তানের সামনে সময় এখন ৪ মাস। সন্ত্রাস দমনে এই ৪ মাসের মধ্যে কঠোর পদক্ষেপ করতে হবে ইমরান খানের সরকারকে। ইতিমধ্যেই পাক প্রশাসনকে এই ইঙ্গিত দিয়েছে এফএটিএফ। ২০১৯ সালের অক্টোবর থেকে পাকিস্তান এফএটিএফ-র ‘ধূসর’ তালিকায় রয়েছে। সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে আর্থিকভাবে মদত দেওয়ার অভিযোগ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। তার জেরেই এফএটিএফ-এর এই পদক্ষেপ।

এদিকে, ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স বা এফএটিএফ-এর রোষানল থেকে ছাড় পেতে আমেরাকি সফর করেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। মার্কিন প্রশাসনের মন পেতে চেষ্টার কসুর করেননি পাক প্রধানমন্ত্রী। এমনকী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে হওয়া আলাপচারিতায় ইরানের বিরুদ্ধেও বিষোদগার করেন ইমরান। তবে তাতেও বিশেষ লাভ হয়নি পাকিস্তানের। এফটিএফ-র ‘ধূসর’ তালিকা থেকে বেরোতে পারেনি পাকিস্তান।

তবে এবার আগামী এপ্রিলের মধ্যে ধূসর তালিকা থেকে বেরোতে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে পাকিস্তান। দেশের পক্ষে বড়সড় বিপদ ঘনিয়ে আসার আশঙ্কা করছেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। এপ্রিলের মধ্যে ‘ধূসর’ তালিকা থেকে বেরোতে না পারলে ‘কালো’ তালিকায় চলে যেতে পারে পাকিস্তান।

আর একবার সেই তালিকায় চলে গেলে একাধিক বৈদেশিক অনুদান থেকে বঞ্চিত হবে ইমরানের সরকার। ফলে ধুঁকতে থাকা পাক অর্থনীতির কোমর ভেঙে যাবে। দারিদ্র্যের চরম সীমায় পৌঁছে যেতে পারে পাকিস্তান।

এবার সন্ত্রাসবাদীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করতে না পারলে বহির্বিশ্বে একঘরে হয়ে পড়তে পারে পাকিস্তান। সেই কারণেই মুখে এখন সন্ত্রাসবাদীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলছে ইমরান খানের সরকার। যদিও বাস্তবে তা কতটা করা যাবে তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দিহান দিল্লি।