নয়াদিল্লি: ভারতকে আলোচনার টেবিলে নিয়ে আসার তোড়জোর শুরু করল পাকিস্তান৷ দ্বিতীয় মোদী সরকারের নয়া বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করকে চিঠি লিখে সেই প্রস্তাব দেন ইমরান সরকারের বিদেশমন্ত্রী শাহ মেহমুদ খুরেশি৷ দুই দেশের সম্পর্ক ফের জোড়া লাগানো নিয়ে পাকিস্তানের এমন ‘ব্যাকুলতা’ দেখে চর্চা শুরু হয়েছে কূটনৈতিক মহলে৷

প্রথম মোদী সরকারের আমলে বিদেশসচিবের দায়িত্ব সামলানো জয়শঙ্করকে বিদেশমন্ত্রী করে চমক দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷ গত ৩১ মে আনুষ্ঠানিক ভাবে নতুন মন্ত্রকের কাজের ভার গ্রহণ করেন তিনি৷ যদিও এই মন্ত্রকের সচিব থাকার সুবাদে মন্ত্রীর দায়িত্ব বুঝে নিতে বিশেষ অসুবিধা হয়নি জয়শঙ্করের৷ এদিকে বিদেশমন্ত্রী পদে জয়শঙ্করকে শুভেচ্ছা জানিয়ে চিঠি পাঠায় পাকিস্তান৷ সেই চিঠিতেই ভারতের সঙ্গে আলোচনায় বসার প্রস্তাব দেন শাহ মেহমুদ খুরেশি৷ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে এমনই খবর৷

পাঠানকোট ও উরিতে জঙ্গি হামলার পর পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের কূটনৈতির সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকে৷ পুলওয়ামার হামলা ওই সম্পর্কের কফিনে শেষ পেরেক পুঁতে দেয়৷ তবে ইমরান খানের সরকারের মধ্যে শুরু থেকেই ভারতের প্রতি নরম মনোভাব নিয়ে এগিয়ে চলার মানসিকতা দেখা যায়৷ যদিও ভারত তার অবস্থানেই অনড় থাকে৷

পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনায় বসার ক্ষেত্রে ভারতের শর্ত একটাই৷ সন্ত্রাসে মদত বন্ধ করতে হবে৷ ভারত বারবার বলে এসেছে সন্ত্রাস ও আলোচনা একসঙ্গে চলতে পারে না৷ কিন্তু ইমরান খানের সরকারকে সন্ত্রাসবাদ নিমূর্লে কোনও ইতিবাচক পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি৷ বরং তাঁর প্রধানমন্ত্রীত্বের কালে পুলওয়ামায় ভয়াবহ আত্মঘাতী জঙ্গি হামলা হয়৷ হামলার পিছনে উঠে আসে জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গি সংগঠনের নাম৷

কিছুদিন আগে দিল্লির ঐতিহাসিক জামা মসজিদে নমাজ পড়তে দেখা যায় পাকিস্তানের বিদেশ সচিব সোহেল মেহমুদ৷ জল্পনা ছড়ায় আলোচনার প্রস্তাব নিয়ে ভারতে আসেন তিনি৷ যদিও বিদেশমন্ত্রক থেকে জানানো হয়, সোহেল মেহমুদ ব্যক্তিগত সফরে ভারতে এসেছেন৷ কোনও অফিসিয়াল মিটিংয়ে যোগ দিতে নয়৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.