ইসলামাবাদ: আন্তর্জাতিক চাপের কাছে নতি স্বীকার করল পাকিস্তান৷ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হল জঙ্গি হাফিজ সঈদের সংগঠন জামাত-উদ-দাওয়াকে৷ একই সঙ্গে নিষিদ্ধ করা হয়েছে জামাত-উদ-দাওয়ার শাখা সংগঠন ফালা-ই-ইনসানিয়ত ফাউন্ডেশনকেও৷ মুম্বইয়ে সন্ত্রাসবাদী হামলার ঘটনায় অন্যতম ষড়যন্ত্রকারী হাফিজ সঈদ৷

জামাত উদ দাওয়া হল লস্কর-ই-তোইবার ফ্রন্টাল সংগঠন। হাফিজ সঈদ লস্কর-ই-তোইবার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। এর আগে ২০০৮ সালে মুম্বইয়ে সন্ত্রাসবাদী হামলা চালায় এই জঙ্গি সংগঠন। পাকিস্তানে বসে সেই হামলার গোটা ব্লু-প্রিন্ট তৈরির নেতৃত্ব ছিলেন হাফিজ সঈদ।

এর আগে ২০০৮ সালের ডিসেম্বরেই হাফিদ সঈদের বিরুদ্ধে প্রস্তাব গৃহীত হয়েছিল রাষ্ট্রপুঞ্জে। পরে ২০১২ সালে হাফিজকে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী বলে ঘোষণা করে আমেরিকা। পাকিস্তানের ওই জঙ্গি নেতাকে গ্রেফতারের জন্য ১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পুরস্কারও ঘোষণা করে ওয়াশিংটন। সেই সময় চাপে পড়ে হাফিজ ও তার সংগঠনকে ‘ওয়াচ লিস্টে’ রাখতে বাধ্য হয়েছিল ইসলামাবাদ৷

পুলওয়ামা হামলার পর সম্প্রতি পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রকের ন্যাশনাল কাউন্টার-টেররিজম অথরিটি একটি তালিকা প্রকাশ করেছিল। সেখানে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল যে নিষিদ্ধ সংগঠনের তালিকায় নাম নেই জামাত-উদ-দাওয়ার। ওই সংগঠনগুলিকে নিছক নজরদারি তালিকাতেই রাখা হয়েছে৷ মুখে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়ার কথা বললেও কাজে তার প্রতিফলন নেই৷ ফলে বিশ্ব আঙিনায় চাপ বাড়তে থাকে ইমরান সরকারের উপর৷ জঙ্গিকে কেন ওয়াচ লিস্টে রাখা হল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে৷

পাকিস্তানের উপর বাড়তে তাকে আন্কর্জাতিক চাপ৷ শেষ পর্যন্ত ওই চাপে পড়েই হাফিজ সঈদের সংগঠনকে ব্যান করল ইমরান সরকার৷ মনে করছে নয়াদিল্লি৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।