নয়াদিল্লি: পাকিস্তানই ড্রোনে অস্ত্র পাঠিয়েছিল পঞ্জাবে। এক রিপোর্টে কেন্দ্রীয় সরকারকে এমনটাই জানিয়েছেন ভারতীয় গোয়েন্দারা। সেপ্টেম্বরে পঞ্জাব সীমান্তে সেই অস্ত্র ফেলা হয়। বৃহস্পতিবার এই সংক্রান্ত রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাছে।

এখনও পর্যন্ত আটবার ড্রোন ওড়ার ঘটনা নজরে এসেছে বলে জানা গিয়েছে। মনে করা হচ্ছে, কাশ্মীরে অশান্তি তৈরি করার জন্য জঙ্গিদের অস্ত্র সাপ্লাই দিচ্ছে পাকিস্তান। জানা গিয়েছে প্রচুর পরিমাণ একে-৪৭ পাওয়া গিয়েছে। বিস্ফোরক ও অস্ত্র সহ অন্তত ১০ কেজির জিনিসপত্র ফেলা হয়েছে ড্রোন থেকে।

বুধবার পঞ্জাবের দুটি জায়গায় ড্রোনের উপস্থিতি ধরা পড়েছে। আর যে ড্রোন ভারতের আকাশে ধরা পড়েছে, সেগুলি চিনের তৈরি বলেই মনে করা হচ্ছে।

সেনা সূত্রে খবর, পাক ড্রোনটি ভারতীয় সীমানাও পেরোয়। সোমবার রাত ১০টা থেকে ১০.৪০য়ের মধ্যে বার পাঁচেক চোখে পড়ে ড্রোনটিকে।

তবে সেখানেই শেষ নয়, ফের মধ্যরাতে নজরদারি চালানোর সময় ১২.২৫ মিনিটে ড্রোনটিকে উড়তে দেখা যায়। সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক হয়ে যায় বিএসএফ। শীর্ষ আধিকারিকদের খবর দেওয়া হয়। ড্রোনটির খোঁজে তল্লাশি অভিযান শুরু করে পঞ্জাব পুলিশ ও বিএসএফ। মঙ্গলবার সকাল থেকেই অভিযান শুরু হয়। বিএসএফ ও পুলিশের প্রাথমিক ধারণা কোনও জঙ্গি সংগঠন নজরদারি চালানোর জন্যই এই ড্রোন পাঠিয়েছে। তবে অবৈধ অস্ত্রের আমদানি বা মাদক চোরাচালানের কাজেও এই ড্রোন ব্যবহৃত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

সূত্রের খবর বেশ কিছু স্যাটেলাইট ফোনও উদ্ধার করা হয়৷ ৬, ৭, ৯, ১০ ও ১৫ই সেপ্টেম্বর পাক ড্রোন ব্যবহার করে অস্ত্রগুলি ভারত সীমান্তে ফেলা হয়৷ তারপরেই সতর্কতা জারি হয়৷ এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে খালিস্তান জিন্দাবাদ ফোর্স বা কেজেডএফ গ্রুপের চারজনকে গ্রেফতার করে পঞ্জাব পুলিশ৷