শ্রীনগর: অগস্ট মাসের ৫ তারিখ কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা লোপ করে মোদী সরকার। এর প্রায় দু মাস পরে লাইন অফ কন্ট্রোলে সেনার সংখ্যা বাড়ালো পাকিস্তান। পাশাপাশি সীমান্তের কাছাকাছি কামানও বসাচ্ছে পাকিস্তান।

পাক সেনার এই কাজের গতিবিধি লক্ষ্য করে, ভারতীয় সেনার তরফে সরকারকে একটি বিস্তৃত রিপোর্ট জানানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, ভারতীয় সেনার এই রিপোর্ট পাওয়ার পরে আন্তর্জাতিক স্তরে পাক সেনার এই কার্যকলাপ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে ভারত সরকারের তরফে।

ভারতের দাবি, উপত্যকা থেকে ৩৭০ ধারা উঠিয়ে নেওয়ার পর থেকেই কাশ্মীরের বারবার আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা হয়েছে পাকিস্তানের তরফে। এমনকি এলওসি থেকে ভারতের সাধারণ নাগরিকদের ওপরেও বারবার গুলি চালানোর মতো ঘটনা ঘটেছে। সেনার রিপোর্ট জানাচ্ছে, এলওসি সীমান্ত থেকে কিছু মিটার দূরের লঞ্চ প্যাডগুলি এই মুহূর্তে জঙ্গিপূর্ণ হয়ে রয়েছে এবং সন্ত্রাসবাদীরা অনুপ্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে।

জানা যাচ্ছে, পাকিস্তানের তরফে প্রায় ২০০০ পাক সেনা সীমান্তে নিয়োগ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এলওসিতে আগেই পাকিস্তানের সেনা সংখ্যা ছিল ৯০,০০০। অন্যদিকে ভারতের তরফে সীমান্তে সেনা রয়েছে ১ লক্ষ ১৩ হাজার।

পাকিস্তানি সেনার তরফে দাবি করা হয়েছে, ৯ লক্ষ সেনা নিয়ে কাশ্মীরকে সামরিক ঘাঁটিতে পরিণত করেছে ভারত সরকার। ভারতের তরফে পাকিস্তানের এই দাবি উড়িয়ে দিয়ে জানানো হয়েছে, এই মুহূর্তে উপত্যকায় ২ লক্ষ ৩১ হাজাররের বেশি সেনা নেই। তথ্যানুযায়ী, ৩৭০ ধারা তুলে নেওয়ার সময় উপত্যকায় যে ১ লাখ সেনা পাঠানো হয়েছিল তা নিয়ে এই মুহূর্তে কাশ্মীরে ২,৩১,০০০ সেনা নিযুক্ত রয়েছে।