পেশোয়ার: করোনার হানা এবার ক্রিকেটবিশ্বে৷ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলে এক পাকিস্তানি ক্রিকেটার৷ পাকিস্তানের প্রথমশ্রেণির ক্রিকেটে খেলা বছর পঞ্চাশের জাফর সরফরাজ করোনায় আক্রান্ত হয়ে ভর্তি ছিলেন পেশোয়ারের এক হাসপাতালে৷ কিন্তু সোমবার রাতেই করোনা যুদ্ধে হার মানেই এই পাক ক্রিকেটার৷

গত মঙ্গলবার করোনা পজিটিভ ধরা পড়েন সরফরাজের। পেশোয়ারের এক হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি৷ শ্বাসকষ্টের জন্য শেষ তিনদিন তাঁকে রাখা হয়েছিল ভেন্টিলেটরে৷ হাসপাতাল সূত্রে এমমটাই জানা গিয়েছে। কিন্তু সোমবার রাতে মৃত্যু হয় এই পাক ক্রিকেটারের৷ তাঁর মৃত্যু গভীর শোকপ্রকাশ করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড৷

১৯৮৮ সালে পেশাদার ক্রিকেটে অভিষেক হয়েছিল জাফর সরফরাজের। পেশোয়ারের হয়ে ১৫টি প্রথমশ্রেণির ম্যাচ খেলেছেন তিনি। করেন ৬১৬ রান। বাঁ-হাতি মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যানের পাশাপাশি বাঁ-হাতি স্পিনও করতেন জাফর সরফরাজ। ১৯৮৮ থেকে ১৯৯৪ পর্যন্ত প্রথমশ্রেণি ও ১৯৯০ থেকে ১৯৯২ পর্যন্ত লিস্ট-এ ক্রিকেট খেলেন তিনি।

১৯৯৪ সালে প্রথমশ্রেণির ক্রিকেট থেকে অবসর নেন সরফরাজ৷ ১৫টি প্রথমশ্রেণির ম্যাচ খেলার পাশাপাশি ছ’টি লিস্ট-এ ম্যাচ খেলেছেন তিনি৷ করেছেন মোট ৯৬ রান। অবসরের পর কোচিং জীবন শুরু করেন জাফর। পেশোয়ারের সিনিয়র ও অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে কোচিং করান তিনি।

জাফর পাকিস্তানের হয়ে খেলার সুযোগ না-পেলেও তাঁর দাদা আখতার জাতীয় দলের হয়ে ক্রিকেট খেলেছেন৷ কিন্তু ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মাত্র ১০ মাস আগেই মার যান আখতার সরফরাজ৷ পাকিস্তানের হয়ে ৯৯৭ থেকে ১৯৯৮-এর মধ্যে চারটি ওয়ান ডে ম্যাচে প্রতিনিধিত্ব করেছেন তিনি৷ কিন্তু গত বছর জুনে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান আখতার৷

এবার করোনার শিকার হলে ভাই জাফর সরফরাজ৷ সারা বিশ্ব কাঁপছে এই মারণ ভাইরাসে৷ পাকিস্তানেও করোনা পরিস্থিতি বেশ সঙ্গীন। এখনও পর্যন্ত ৫০০০ জনে বেশি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন৷ মারা গিয়েছেন ১০০ জনের বেশি মানু৷ সারা বিশ্বে করোনায় মারা গিয়েছে প্রায় ১ লক্ষ ২০ হাজার মানুষ৷ আক্রান্ত প্রায় ২০ লক্ষ৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.