ইসলামাবাদ: ২৬ বছর পর প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা গঠন হল৷পাকিস্তানের লাহোর হাইকোর্টে ১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের বিরুদ্ধে অর্থ তছরূপের পিটিশন দাখিল করা হয়৷গত বুধবার সেই মামলা উচ্চতর বেঞ্চে গিয়ে পৌঁছায়৷ন্যাশানাল কিট্টি ফার্ম থেকে অর্থ তছরূপ করেছিলেন শরিফ৷ আর সংস্থার অর্থ তছরূপের তদন্ত করিয়েছিলেন বিদেশি সংস্থা দিয়ে৷তৎকালীন লাহোর হাইকোর্টের মুখ্য বিচারপতি মনজুর আহমেদ মালিকের নেতৃত্বে গঠিত পাঁচ সদস্যের ডিভিশন বেঞ্চ এই মামলার তদন্ত করতে গিয়ে বেশ সমস্যার সম্মুখীন হন৷ তখন এই মামলাটি ধামাচাপা পড়ে যায়৷ তারপর ২৬ বছর কেটে গিয়েছে৷ মামলার নিষ্পত্তি হয় নি৷ গত বুধবার এই মামলার দায়িত্ব বর্তায় বিচারক ফারুখ ইরফান খান ও বিচারক মহম্মদ কোয়াসিম-এর দুই সদস্যের ডিভিশন বেঞ্চ৷গত বছর লাহোর হাইকোর্ট প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ, নওয়াজের স্ত্রী কলসুম নওয়াজ, ও পুত্র হুসেইন নওয়াজ  সহ পাকিস্তানের মোট ২৪ জন রাজনীতিবিদকে এই মামলার সমন পাঠায়৷বিদেশি সম্পত্তি যত দ্রুত সম্ভব দেশে ফিরিয়ে আনার কথাও সেই সময় বলা হয়েছিল প্রধানমন্ত্রীকে৷ কিন্তু ২৬ বছরেও কেন সেই সম্পত্তি দেশে ফিরল না, তা জানার জন্য পুনরায় এদের নামে সমন জারি করতে চলেছে লাহের হাইকোর্ট৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।