লাহোর: টেস্ট ও সীমিত ওভারের ফর্ম্যাটে আলাদা আলাদা ক্যাপ্টেনের উদাহরণ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নেহাৎ কম নেই৷ সদ্য বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়া ইংল্যান্ড দলেও লাল ও সাদা বলের ক্রিকেটে নেতৃত্ব দেন দু’জন পৃথক অধিনায়ক৷ তবে ভিন্ন ফর্ম্যাটে ভিন্ন ভিন্ন হেড কোচের কথা ক্রিকেটবিশ্বে কদাচিৎই শোনা যায়৷ ঠিক সেই পথেই হাঁটতে পারে পাকিস্তান৷ পিসিবি সূত্রে খবর, লাল ও সাদা বলের ক্রিকেটের জন্য দু’জন পৃথক হেড কোচের হাতে দায়িত্ব তুলে দিতে পারে পাক বোর্ড৷

আরও পড়ুন: সরে দাঁড়াচ্ছেন কিউয়িদের ব্যাটিং কোচের পদ থেকে, বিদায়বেলায় আবেগঘন ম্যাকমিলান

অবশ্য কেবল মাত্র কোচের দায়িত্বই ভাগ করে দিতে পারে পিসিবি, এমনটা নয়৷ বরং টেস্ট ও সীমিত ওভারের ক্রিকেটে নেতৃত্বের দায় ভারও বিভক্ত হতে পারে পাকিস্তান দলে৷ পাক বোর্ডকে এমনটাই নাকি পরামর্শ দিয়েছে ক্রিকেট কমিটি৷

আগামী বছর অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া টি-২০ বিশ্বকাপের আগে শ্রীলঙ্কা, অস্ট্রেলিয়া, বাংলাদেশ ও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে মোট আটটি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচ খেলবে পাকিস্তান৷ এি সময়ের মধ্যে তাদের মাত্র ৩টি ওয়ান ডে ম্যাচ খেলার কথা৷ তবে এশিয়া কাপ ও টি-২০ বিশ্বকাপের আগে অন্তত ৯-১০টি আন্তর্জাতিক টি-২০ ম্যাচ খেলবে পাকিস্তান দল৷

আরও পড়ুন: টেস্ট দলে প্রত্যাবর্তন ঋদ্ধি-রোহিতের, চোট সারিয়ে কামব্যাক ধাওয়ানের

পাক ক্রিকেট কমিটি মনে করছে, বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে যেমন মনোসংযোগ করা উচিত পাকিস্তানের, ঠিক তেমনই টেস্ট চ্যাম্পিয়নসিপকেও গুরুত্ব দেওয়া উচিত দলের৷ সে কারণেই লাল ও সাদা বলের ক্রিকেটে সাপোর্টিং স্টাফ একই রেখে হোড কোচ ও ক্যাপ্টেন বদলে দেওয়া হোক৷

বিশ্বকাপের সময় পিসিবি’র ম্যানেজিং ডিরেক্টর ওয়াসিম খান লন্ডনে ক্রিকেট কমিটির সদস্য ওয়াসিম আক্রমের সঙ্গে বৈঠক করেন৷ সেখানেই আক্রম এমন পরিকল্পনার কথা জানান বোর্ড কর্তাকে৷ এও শোনা যাচ্ছে যে, সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ক্যাপ্টেন সরফরাজ ও কোচ মিকি আর্থার জুটির উপর আস্থা রাখার পরামর্শ দিয়েছে ক্রিকেট কমিটি৷ তবে টেস্টে নতুন জুটির খোঁজ করার কথা বলেছেন আক্রমরা৷

আরও পড়ুন: তিন ফর্ম্যাটেই নির্বাচক প্রধানের প্রথম পছন্দের উইকেটকিপার পন্ত

পিসিবি সত্যিই যদি এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করার কথা ভাবে, তবে টেস্টে আসাদ সফিক কিংবা আজহার আলির হাতে নেতৃত্বের ব্যাটন উঠতে পারে৷ সেক্ষেত্রে কোচের দায়িত্ব কার হাতে তুলে দেয় পিসিবি, সেটাই এখন দেখার৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।