নয়াদিল্লি : ফের রাষ্ট্রসংঘে কোণঠাসা পাকিস্তান। সন্ত্রাসবাদ প্রসঙ্গে সুর চড়িয়ে ভারত জানায় সন্ত্রাস ও হিংসার সংস্কৃতি অব্যাহত রেখেছে পাকিস্তান। জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদীদের আশ্রয় দেওয়া, জঙ্গি সংগঠগুলিকে নিরাপদ ছাদ দেওয়া বা মানবাধিকারক লঙ্ঘনের মতো ঘটনা পাকিস্তানে নতুন নয়।

রাষ্ট্রসংঘের ৭৪ তম সাধারণ সভায় কালচার অফ পিস শীর্ষক সম্মেলনে সুর চড়ায় ভারত। এদিন ভারতের হয়ে বক্তব্য রাখেন কাউন্সিলর ইন দ্য পার্মানেন্ট মিশন পৌলমী ত্রিপাঠি। এদিন পাকিস্তানের ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা নিয়েও বক্তব্য রাখে ভারত। ভারতের প্রতিনিধি জানান, প্রতিদিন সংখ্যালঘু সম্প্রদায় যেমন হিন্দু-শিখ ধর্মাবলম্বীদের মানবাধিকার লঙ্ঘন হয় পাকিস্তানে। মহিলা ও কন্যা সন্তানদের ধর্ষণ, পাচারের ঘটনা সেখানে নিত্যনৈমিত্তিক।

ভারততের দাবি কালচার অফ পিস নয়, পাকিস্তানে কালচার অফ ভায়োলেন্স প্রতিষ্ঠিত। প্রতিদিনই পাকিস্তানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষকে জোর করে ধর্মান্তরিত করা হচ্ছে বলেও পৌলমি ত্রিপাঠি অভিযোগ করেন।

এদিকে, দিন কয়েক আগেই কয়েকজন ভারতীয়কে জঙ্গি তালিকায় আনতে রাষ্ট্রসংঘের কাছে দরবার করে পাকিস্তান সরকার। চার ভারতীয় নাগরিককে আন্তর্জাতিক জঙ্গি তকমা দিতে রাষ্ট্রসংঘের কাছে আবেদন জানায় ইমরান খান সরকার।

দুই ভারতীয় নাগরিক বেণুমাধব ডোঙ্গারা ও অজয় মিস্ত্রিকে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে জঙ্গি তালিকাভুক্ত করতে আবেদন জানায় পাকিস্তান। কিন্তু দু’জনের বিরুদ্ধে জঙ্গি কার্যকালপে যুক্ত থাকার কোনও প্রমাণ দিতে পারেনি ইসলামাবাদ।

তবে ভেস্তে গেল পাকিস্তানের ছক। চার ভারতীয় নাগরিককে জঙ্গি হিসেবে রাষ্ট্রসংঘের তালিকাভুক্ত করার ছক কষে ইমরান খানের সরকার। তবে ওই চার ভারতীয়ের বিরুদ্ধে জঙ্গি কার্যকলাপে যুক্ত থাকার কোনও প্রমাণই দেখাতে পারেনি ইসলামাবাদ। পত্রপাঠ পাকিস্তানের আবদার খারিজ করে দিয়েছে রাষ্ট্রসংঘ।

ভারতের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে নাছোড় পাকিস্তান। এবার রাষ্ট্রসংঘ অবধি দরবার ইমরান খানের সরকারের। চার ভারতীয় নাগরিককে রাষ্ট্রসংঘের জঙ্গি তালিকাভুক্ত করার আবেদন জানায় পাকিস্তান।

ইসলামাবাদের দাবি, এই চার ভারতীয় পাকিস্তানে তেহরিক-এ-তালিবান ও জামাত উল আহরারের হামলায় জড়িত। তবে মুখে এই দাবি করলেও চার ভারতীয়ের বিরুদ্ধে ওই কাজে যুক্ত থাকার উপযুক্ত প্রমাণ দেখাতে পারেনি পাকিস্তান।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।