নয়াদিল্লিঃ  ফের একবার ফাঁস হয়ে গেল পাকিস্তানের মিথ্যাচার! জলসীমা লঙ্ঘন করে পাকিস্তানে কোনও ভারতের সাবমেরিন ঢোকেনি। পাকিস্তান নৌবাহিনীর তরফে দেওয়া বিবৃতি খারিজ করে দিল কেন্দ্রীয় সরকারের একটি সূত্র। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সরকারি আধিকারিক বিভিন্ন জাতীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এমন কোনও ঘটনা ঘটেইনি। অর্থাৎ ভারতের কোনও সাবমেরিন পাকিস্তানের জলসীমা পেরোয়নি।

প্রসঙ্গত আজ মঙ্গলবার সকালে পাকিস্তানের একাধিক সংবাদমাধ্যম দাবি করে যে পাকিস্তানের জলসীমা ক্রশ করে করাচির দিকে ধেয়ে আসছিল ভারতের নিউক্লিয়ার সাবমেরিন। কিন্তু পাকিস্তান নৌবাহিনী সতর্ক থাকায় কোনও হামলা নাকি করতে পারেনি ভারতের সাবমেরিন। এই বিষয়ে পাকিস্তান নৌবাহিনীর তরফে একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়। যেখানে পাকিস্তান নৌবাহিনীর তরফে দাবি করা হয়, ভারতের সাবমেরিন ধেয়ে আসার সিগন্যাল পাক রেডারে ধরা পড়ে যায়। আর ধরা পড়ে যাওয়ার পরেই ভারতের সাবমেরিনকে সতর্ক করা হয় বলে দাবি করে পাকিস্তান নৌবাহিনী।

পাকিস্তান নৌবাহিনীর তরফে এই ভিডিও প্রকাশ হতেই চাঞ্চল্য তৈরি হয়। প্রশ্ন উঠতে থাকে সত্যিই কি পাকিস্তানে হামলা চালাতে জলসীমা পেরিয়ে ছিল সাবমেরিন? যদিও এরপরেই ভারত সরকারের একটি সূত্র পাকিস্তানে এই দাবি একেবারে খারিজ করে দেয়। একই সঙ্গে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, জঙ্গিদের বিরুদ্ধে কার্যকলাপ চলবে। তবে সাবমেরিনে জলসীমা লঙ্ঘন সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছে ভারত।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.