ইসলামাবাদ: প্রবল আর্থিক সমস্যার মুখোমুখি পাকিস্তানের ইমরান খান প্রশাসন। সমস্যা এতটাই যে সেদেশের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে ইসলামাবাদের বৃহত্তম পার্ককে প্রায় ৫০০ কোটি টাকায় বন্ধক রাখার কথা চিন্তা করছেন। রবিবার একটি রিপোর্টে এই খবর প্রকাশ পেয়েছে।

ওই পার্কের নামকরণ হয়েছিল মাদার-ই-মিল্লাত ফাতেমা জিন্নাহর নামে। এই F-9 পার্কটি ৭৫৯ একর জমি নিয়ে বিস্তৃত। পাকিস্তানের এক সংবাদপত্র তরফে জানা গিয়েছে যে মঙ্গলবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ বছর অনুষ্ঠিত হবে ফেডারেল মন্ত্রিসভার পরবর্তী বৈঠকে। সেখানে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী F-9 পার্ক বন্ধক রাখার প্রস্তাব রাখবেন বলে খবর। এজেন্ডা আইটেমের ছয় নম্বর আইটেম হিসাবে তালিকাভুক্ত হয়েছে এটি। ইসলামাবাদের F-9 পার্কটি পাকিস্তানের বৃহত্তম সবুজ অঞ্চলগুলির মধ্যে একটি বলে মনে করা হয়।

এই পার্কটি বন্ধক রাখার ক্ষেত্রে ইতিমধ্যেই মূলধন উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা ক্যাপিটল ডেভলপমেন্ট অথরিটি নো অবজেকশন সার্টিফিকেট দিয়ে দিয়েছে। এর আগেও বিভিন্ন বিল্ডিং, প্রতিষ্ঠান এবং রাস্তাঘাট জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে বন্ধক রেখে ঋণ নিয়েছে পাকিস্তান। পাকিস্তানের যখন সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাশাহীর (সংযুক্ত আরব আমিরশাহী) মতো দক্ষিণ এশীয় দেশের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটল, তখন এই সংস্যা বাড়ে। এই দুই দেশ বৈদেশিক মুদ্রার দুটি বৃহত্তম উৎস। সৌদি আরব ২০২০ সালের আগস্টে পাকিস্তানকে তিন বিলিয়ন ডলারের ঋণ শোধ করতে বলেছিল। সম্প্রতি, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী পাকিস্তানি কর্মীদের জন্য ভিসা প্রদান নিষিদ্ধ করেছে।

এদিকে করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন নিয়ে বেশ সমস্যাতেই রয়েছে পাকিস্তান। চিরকালের ‘বন্ধু’ চিনের উপর এই ক্ষেত্রে ভরসা রাখতে পারছে না তারা। তাই শোনা যাচ্ছে করোনা থেকে মুক্তি পেতে টিকা প্রস্তুতকারী সংস্থা রাশিয়ার Sputnik V-কে এগিয়ে রাখছে ইসলামাবাদ। তবে এখনই এই টিকাকে ছাড়পত্র দেওয়ার হচ্ছে না। তার আগে প্রশাসনিক স্তরের কিছু কাজকর্ম রয়েছে। সেগুলো করার পরেই মিলবে সবুজ সংকেত। সূত্রের খবর, চিনের ‘করোনাভ্যাক’ ভ্যাকসিন নিয়ে পাকিস্তানের মন্ত্রিসভার মধ্যেই বিতর্ক রয়েছে। অনেকেই টিকার নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাছাড়া চিনও টিকাটির ট্রায়াল সংক্রান্ত কোনও তথ্য প্রকাশ করেনি। তাই ভ্যাকসিন নিয়ে বেজিংয়ের উপর ভরসা রাখতে পারছে না ইসলামাবাদ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।