করাচি: প্রথম ইনিংসে একশোরও বেশি রানে এগিয়ে থেকে ম্যাঞ্চেস্টারে প্রথম টেস্ট হেরে সিরিজে পিছিয়ে পড়েছে পাকিস্তান। আর দলের হারে হতাশ প্রাক্তন স্পিডস্টার শোয়েব আখতার তাঁর ইউটিউব চ্যানেলে ব্যাটসম্যানদের বিরুদ্ধে উগড়ে দিলেন একরাশ ক্ষোভ। রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেসের কথায় দ্বিতীয় ইনিংসে পাক ব্যাটসম্যানদের অনিয়ন্ত্রিত ব্যাটিং এবং পার্টনারশিপের অভাবেই ম্যাচ হারতে হল দলকে।

শোয়েব ক্ষোভের সুরে বলেছেন, ‘পাকিস্তানের কাছে সুযোগ ছিল ইংল্যান্ডের ঘাড়ে একটা বড় রানের বোঝা চাপিয়ে দেওয়ার। কিন্তু সেই এক ভুলই ব্যাটসম্যানরা করল। দেশভাগের পর থেকেই ব্যাটিং আমাদের ভোগাচ্ছে। আমরা একশোরও বেশি রানে এগিয়ে ছিলাম, ওই জায়গা থেকে ব্যাটসম্যানদের উচিৎ ছিল বিপক্ষের উপর ছড়ি ঘোরানো। কিন্তু ব্যাটসম্যানরা একটা পার্টনারশিপও তৈরি করতে পারল না।’

দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং বিপর্যয় নিয়ে রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস বলেন, ‘শান মাসুদ দুর্ভাগ্যবশত আউট হয়ে গেল। যদিও ও প্রথম ইনিংসে ওর কাজটা করে দিয়েছে। আসাদ শফিক ফের নিজের দোষে রান-আউট হল। কিন্তু বাবর আজমকে তো এই সময় ভীষণভাবে প্রয়োজন ছিল। এভাবে কোনওদিন বড় ক্রিকেটার হওয়া যায় না। হতে পারে তুমি একজন ভালো প্লেয়ার, কিন্তু একজন ম্যাচ-উইনার হিসেবে তোমায় নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’

শোয়েব বলেন, ‘লিড না থাকলে আমরা ১৫০ থেকে ১৭৫ রানের মধ্যেই গুটিয়ে যেতাম। ব্যাটসম্যান হিসেবে তোমাদের ভাবতে হবে তোমরা ঠিক কী করতে চাও। এই পারফরম্যান্সটা আমাকে ভীষণ হতাশ করেছে।’ একইসঙ্গে বাটলার-ওকস জুটি যখন ক্রিজে জাঁকিয়ে বসেছে তখন বল হাতে তরুণ নাসিম শাহের ক্রমাগত লেংথ বল করে যাওয়ার সমালোচনা করেন আখতার। প্রাক্তন স্পিডস্টার বলেন, ‘ওই সময় কেন ও শর্ট বল করল না, কেন ওকসের মাথা লক্ষ্য করে বল করল না। ব্যাটসম্যানকে ক্রিজে অস্বচ্ছন্দ বোধ করাতে হবে তাহলেই সুযোগ আসবে। এটা আগ্রাসী মনোভাবের অভাব আর কিছুই না।’

উল্লেখ্য, ২৭৭ রান তাড়া করতে নেমে ১১৭ রানের মধ্যে প্রথম ৫ উইকেট খুঁইয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যায় ব্রিটিশদের। কিন্তু পাকিস্তানের ম্যাচ জয়ের সম্ভাবনায় হঠাতই ঢাল হয়ে দাঁড়ান উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান জোস বাটলার এবং অল-রাউন্ডার ক্রিস ওকস। ষষ্ঠ উইকেটে এই দুই ব্যাটসম্যানের ১৩৯ রানের পার্টনারশিপেই পাকিস্তানের যাবতীয় আশার সলিলসমাধি ঘটে। ৭৫ রানে বাটলার আউট হলেও ৮৪ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন ক্রিস ওকস।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও