ফাইল ছবি

নয়াদিল্লি:  বিনা প্ররোচনাতে সীমান্তে লাগাতার সংঘর্ষ বিরক্তি চুক্তি লঙ্ঘন করে যাচ্ছে পাকিস্তান সেনা। সীমান্ত সংলগ্ন গ্রামগুলিকে বারবার টার্গেট করছে পাকিস্তান সেনা। ফলে ভারত-পাকিস্তান সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিতে ক্রমশ ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও বাড়ছে। বাংলা এক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর মোতাবেক, লাগাতার এভাবে সংঘর্ষ বিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের পিছনে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর এক অভিসন্ধি রয়েছে।

প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী ভারতীয় সেনাবাহিনীর এক শীর্ষস্তরের সূত্র জানাচ্ছে, জম্মু ও কাশ্মীরের পীর পাঞ্জালের দক্ষিণে হিন্দু অধ্যুষিত এলাকাকে নিশানা করেই বেশিরভাগ হামলাগুলি চালাচ্ছে পাক সেনা।

তথ্য অনুযায়ী শুধু সেপ্টেম্বর মাসে ২৯২ বার সংঘর্ষ বিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান সেনা। বারবার এই সমস্ত গ্রামগুলিকে নিশানা করেছে পাকিস্তান। নিশানা করা হয়েছে এখানকার সাধারণ মানুষ এবং বাড়ি-ঘরকে। যতদিন যাচ্ছে তত এই হামলা বাড়াচ্ছে পাকিস্তান সেনা। বিগত বছরগুলিতে যেখানে দেখা গিয়েছে মাত্র ১০০ বারের মধ্যে হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান সেনা, সেখানে এখন তা এক ধাক্কায় হামলার সংখ্যা ৩০০ এর কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে প্রকাশিত খবরে। তথ্য বলছে হামলার বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ভারী অস্ত্র ব্যবহার করেছে পাকিস্তান সেনা।

৩৭০ ধারা বাতিলের ঠিক পরপরই গত আগস্টে প্রায় ৩০০ বার সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করেছিল তারা। এভাবেই চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ২২১৬ বার বিনা প্ররোচনায় চুক্তি ভেঙেছে পাকিস্তান। এর মধ্যে কাশ্মীরের কৃষ্ণা উপত্যকা সেক্টরে ১২৯ বার, ভীমবার গালি এলাকায় ২৮৪ বার, নৌসেরা সেক্টরে ৮২০ বার, সুন্দরবানিতে ১৫১ বার এবং পুনা সেক্টরে ৭৪৪ বার হামলা চালানো হয়েছে বলে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে।

সেনাবাহিনীর সূত্রকে কোট করে প্রকাশিত খবরে আরও বলা হয়েছে যে, রীতিমত প্ল্যান করেই সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় বসবাসাকারী সাধারণ মানুষকে টার্গেট করছে পাকিস্তান সেনা। যদিও পালটা খোলা হাতে পাকিস্তান সেনাকে জবাব দেওয়া হচ্ছে ভারতীয় সেনার তরফে। শুধু তাই নয়, ভারত এবং পাকিস্তানের ব্রিগেডিয়ার স্তরের বৈঠকে ভারতের তরফে বিষয়টি উত্থাপন করে পাক সেনাকে সাবধান করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সীমান্ত সংলগ্ন যে গ্রামগুলিকে বারবার টার্গেট করা হচ্ছে সেখান থেকে মানুষকে নিরাপদ জায়গাতে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। নেওয়া হচ্ছে আরও সতর্কতাও।