নয়াদিল্লি : ভারত সীমান্তে অস্ত্র সরবরাহের হার বেড়েছে পাকিস্তানের৷ কারণ ইতিমধ্যেই ভারত পাক আন্তর্জাতিক সীমানাবরাবর ৪টি অস্ত্র ঘাঁটি তৈরি করেছে পাকিস্তান৷ সেই ঘাঁটিতে মজুত করা হচ্ছে অত্যাধুনিক অস্ত্র৷ ভারতীয় গোয়েন্দা দফতর সূত্রে এমনই খবর৷

গোয়েন্দা দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে জম্মু সীমান্তের গা ঘেঁষা শাকারগড় এলাকায় এই অস্ত্র ঘাঁটি তৈরি করা হয়েছে৷ সেখানেই অস্ত্র সরবরাহ শুরু করা হয়েছে ইসলামাবাদের তরফে৷

স্ট্র্যাটেজির দিক থেকে এই এলাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ৷ ভারত পাকিস্তানের মধ্যে বেশ কয়েকটি সংঘর্ষ ও যুদ্ধের ইতিহাসের সাক্ষী এই শাকারগড়৷ জানা গিয়েছে কোট, সাতরাহ, দাসকা ও গুজরানওয়ালা- এই চারটি জায়গায় অস্ত্র ঘাঁটি তৈরি করেছে পাকিস্তান৷

প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের এক শীর্ষ আধিকারিক জানিয়েছে সীমান্তে পাকিস্তানি অস্ত্রভাণ্ডার গড়ে ওঠা যথেষ্ট আশঙ্কার৷ নয়াদিল্লি কড়া নজর রাখছে গোটা পরিস্থিতির ওপর৷ পাঠানকোট, কাঠুয়া ও ভারতের এক নম্বর জাতীয় সড়কের খুব কাছাকাছি অবস্থিত সীমান্তের ওপারের এই অস্ত্রঘাঁটিগুলি৷ ফলে সতর্ক করা হয়েছে ভারতীয় সেনাকে৷ এই এক নম্বর জাতীয় সড়ক গোটা কাশ্মীরকে বাকি দেশের সঙ্গে জুড়েছে৷ এখান থেকে কয়েক কিলোমিটারের দূরত্বেই আন্তর্জাতিক সীমানা৷ ফলে ভৌগোলিক দিক থেকে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ এলাকা এটি৷

বিএসএফের পক্ষ থেকে এই রিপোর্টের সত্যতা স্বীকার করা হয়েছে৷ বিএসএফ জানিয়েছে সীমান্ত বরাবর পাকিস্তানি সেনার তৎপরতা বেড়েছে, যা সন্দেহজনক৷ রিপোর্টে যে চারটি অস্ত্রঘাঁটির কথা বলা হয়েছে, তার মধ্যে দুটি রহিম ইয়ার খান এলাকার কাছে যা, জয়সলমীর থেকেও খুবই নিকটে অবস্থিত৷ পাক সেনা এই এলাকা বেছে নিয়েছে কারণ গোপনে অস্ত্র সরবরাহের সুবিধা রয়েছে এখানে৷

ফাইল ছবি

শুধু অস্ত্র ঘাঁটিই নয়, পাকিস্তান হেলিপ্যাডও তৈরি করেছে এই ঘাঁটিগুলিতে৷ তৈরি হয়েছে একাধিক বাঙ্কার৷ এই বাঙ্কারের সাহায্যেই ভারতীয় বায়ুসেনার নজর এড়িয়ে অস্ত্র মজুত করা হচ্ছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে৷ এই বাঙ্কারগুলিকে এমন ভাবে বানানো হয়েছে, যেখান থেকে মিসাইলও ছোঁড়া যাবে৷ এই গোটা কর্মকাণ্ডে পাকিস্তানকে সাহায্য করছে চিন বলে সূত্রের খবর৷ পাকিস্তানি সেনার আধুনিকীকরণ থেকে শুরু করে অস্ত্র সরবরাহের ব্যবস্থা করা পর্যন্ত চিনের সাহায্য পাচ্ছে পাকিস্তান বলে রিপোর্টে জানা গিয়েছে৷