করাচি: সাহসী সিদ্ধান্ত নাকি বোকামি?

২০১৭ সালে ইংল্যান্ডের মাটিতে হওয়ার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালের ‘নায়ক’ মহম্মদ আমিরকে বাইরে রেখে বিশ্বকাপের জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড৷ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালের রাতে মাত্র ১৬ রান খরচ করে রোহিত, ধাওয়ান ও কোহলির উইকেট তুলে নিয়ে ইংল্যান্ডের মাটিতে, প্রথমবারে জন্য পাকিস্তানকে চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন বাঁ-হাতি আমির৷

দু’বছর পর সেই ইংল্যান্ডের ক্রিকেট বিশ্বকাপের আসর৷ মেগা আসরে অবশ্য আমিরকে দলে রাখেনি নির্বাচক প্রধান ইনজামাম উল হক অ্যান্ড কোম্পানি৷ ইংল্যান্ডের মাটিতে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ী পাক দলের একাধিক ক্রিকেটার আসন্ন বিশ্বকাপ দলে সুযোগ পেলেও ‘নায়ক’ আমিরের নাম না থাকায় অবাক ক্রিকেটদুনিয়া৷

আরও পড়ুন- আর্চারকে বিশ্বকাপের দলে রাখল না ইংল্যান্ড

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ফাইনালে আমিরের বিধ্বংসী বোলিং স্পেল-

এক্ষেত্রে অবশ্য আমিরের সাম্প্রতিক ফর্মকেই মাথায় রেখেই নির্বাচকরা কঠিন সিদ্ধান্ত নিলেন৷ ইংল্যান্ডের মাটিতে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেই রাতের পর ১৪ ম্যাচের ৯টিতেই উইকেট পাননি বাঁ-হাতি পেসার৷ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর ১৪ ম্যাচে আমিরের উইকেট সংখ্যা মাত্র ৫৷ আমিরের পরিবর্তে তরুণ পেসার মহম্মদ হাসনাইনকে দলে নিল পাকিস্তান৷ দেশের জার্সিতে ৩ ম্যাচ খেলেই বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পেলেন ১৯ বছরের তরুণ ডানহাতি৷

আরও পড়ুন- ঘোষিত দক্ষিণ আফ্রিকা স্কোয়াড, বিশ্বকাপে আমলাতেই আস্থা রাখলেন নির্বাচকরা

যদিও অনেকেই মনে করছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালের নায়ককে বিশ্বকাপে সুযোগ দেওয়া উচিত ছিল৷ আমিরের মতো অভিজ্ঞ পেসারকে ইংল্যান্ডের সুইং সহায়ক উইকেটে দলের সঙ্গে নিয়ে না যাওয়াটা পাকিস্তানের কাছে বুমেরাং হয়েও ফিরতে পারে বলে মনে করছে ক্রিকেটমহল৷

তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে বিশ্বকাপের আগে ইংল্যান্ডের মাটিতে বিশ্বকাপ মহড়ায় মর্গ্যানদের বিরুদ্ধে ৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি ও ৫ ম্যাচের ওয়ান ডে সিরিজে পাকিস্তান দলে আমিরের নাম রাখা হয়েছে৷ ১৭ সদস্যের নির্বাচিত সেই দলে সুযোগ পেয়েছেন আসিফ আলিও৷

একনজরে পাকিস্তানের বিশ্বকাপ দল-
সরফরাজ আহমেদ(অধিনায়ক ও উইকেট কিপার), আবিদ আলি, বাবর আজম,ফাহিম আশরাফ,ফখর জামান,হারিস সোহেল,হাসান আলি,ইমাদ ওয়াসিম,ইমাম উল হক,জুনাইদ খান,মহাম্মদ হাফিজ,মহাম্মদ হাসনাইন,শাদাব খান,শাহিন আফ্রিদি,শোয়েব মালি৷