নয়াদিল্লি: না, আগে কখনও এমন হয়েছে বলে মনে করতে পারছে না এয়ার ইন্ডিয়া বা ওই বিমানের চালক। ‘করাচির এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোল এয়ার ইন্ডিয়াকে স্বাগত জানাচ্ছে। আমরা গর্বিত।’ – এও সম্ভব? করোনা এমন ভাবেই ‘না মুঙ্কিম না কে মুঙ্কিম করল’। পাক আকাশে স্বাগত জানানো হল এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানকে। যাতে বেজায় বিস্মিত হলেন খোদ পাইলটও !

ঠিক কী ঘটেছে? করোনার ত্রান সামগ্রী ইউরোপে পৌঁছে দেওয়ার কাজ করছে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান। ইউরোপে যেতে ভারতের বিমানকে পাকিস্তানের আকাশ সীমা অতিক্রম করতে হয় ভারতকে। সেই কারণেই এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানটি ঢুকেছিল পাক আকাশ সীমায়। কিন্তু তারপরের ঘটনার জন্য প্রস্তুত ছিলেন না ওই বিমানের পাইলট।

পাক সীমায় প্রবেশ করতেই বলা হয়, ‘আসসালাম ওয়ালাইকুম, করাচির এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোল এয়ার ইন্ডিয়াকে স্বাগত জানাচ্ছে। আমরা গর্বিত।’ প্রচণ্ড অবাক হয়ে এয়ার ইন্ডিয়ার চালক। এরপরেই পাকিস্তান এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোল প্রশ্ন করে, ‘নিশ্চিত করুন, ফ্র্যাঙ্কফুর্টে ত্রাণসামগ্রী নিয়ে এই বিমান যাচ্ছে?’ জবাব হ্যাঁ মেলাতেই পাকিস্তানের তরফে বলা হয়, সরাসরি কেবুদ পর্যন্ত যাওয়ার অনুমতি রইল।

এরপর ফের পাকিস্তানের তরফে প্রশংসা করে বলা হয়, বিশ্বব্যাপী মহামারীর মধ্যেও আপনারা উড়ান চালু রেখেছেন। এর জন্য আমরা গর্বিত।’

এই ঘটনায় দারুণ খুশি নেটিজেনরা। বিপদের দিনে সমস্ত রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে যে পাশে দাঁড়ানো যায়, তাই দেখাল পাকিস্তান। দারুণ খুশি এয়ার ইন্ডিয়ার চালক-ও।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।