ইসলামাবাদ: আবার সংবাদ শিরোনামে পাকিস্তান (Pakistan)। এবার লাইভ টিভি শো চলাকালীন সাংসদের গালে চড় মারলেন বিরোধী নেত্রী। আর সেই ভিডিও মুহূর্তের মধ্য়ে ভাইরাল হয়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়।

জাানা যায়, একটি পাকিস্তানি নিউজ চ্যানেলের (News Channel) বিশেষ অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন তেহরিক-ই-ইনসাফ দলের সদস্য ফিরদৌস আশিক আওয়ান (Dr. Firdous Ashiq Awan) এবং পাকিস্তান পিপলস পার্টির (PPP) নেতা কাদির খান মান্দোখেল (Qadir Khan Mandokhel)। সেই টক শো চলাকালীন হঠাৎ করেই শুরু হয় তর্ক বিতর্ক। এবং শেষ পর্যন্ত হাতিহাতিতে জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। অনুষ্ঠানের মাঝেই আব্দুল কাদির খান মান্দোখেলকে চড় মারেন ফিরদৌস আশিক আওয়ান।

ঠিক কী ঘটেছিল? এবিষয়ে জানা যায় যে, পাকিস্তানি নিউজ চ্যানেল এক্সপ্রেস নিউজের একটি অনুষ্ঠানে তাদেরকে আমন্ত্রণ করা হয়েছিল। অনুষ্ঠানেক নাম ‘কাল তাক’ (Kal Tak)। সেখানে দুর্নীতি নিয়ে আলোচনার এক পর্যায়ে এমন ঘটনা ঘটে। দুই নেতার মধ্যেই হঠাৎ করে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় শুরু হয়। তার সেটা হাতাহাতিতে পরিণত হয়। যা দেখে অবাক হয়ে যান সঞ্চালক। তার সামনেই ফিরদৌস আওয়ান পাকিস্তানের সাংসদকে চড় মারতেই চমকে ওঠেন তিনি।

কে এই ফিরদৌস আওয়ান? আসলে পিটিআই নেতা ফিরদৌস আওয়ান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক বিশেষ সহকারী হিসাবে কাজ করেছেন। বর্তমানে পাকিস্তানের পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (তথ্য) হিসেবেও কাজ করেন।

আর অন্যদিকে কাদির খান মান্দোখেল হলেন পাকিস্তান পিপলস পার্টির জাতীয় পরিষদের সদস্য। তবে দুই নেতার এমন ঘটনায় কেবল সঞ্চালকই যে অবাক হয়েছে তা নয়। এই ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর, গোটা দুনিয়াই চমকে গেছে। এমন ঘটনাও যে ঘটতে পারে তা বেশিরভাগ মানুষের কাছে কল্পনাতীত।

উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই ফ্রান্সের (France) রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁকে (Emmanuel Macron) চড় মারার ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। সেই ভিডিওতে দেখা গিয়েছিল, এক সমর্থকের সঙ্গে হাত মেলাতে মাক্রোঁ তার দিকে হাত বাড়িয়ে দিলে ঐ ব্যক্তি তার মুখে চড় মারেন৷ তার আগে ঐ ব্যক্তিকে ‘ডাউন উইথ মাক্রোঁনিয়া’ (Down with Macron) বলে চিৎকার করতে শোনা গিয়েছিল৷ ঐ ঘটনার পর দু’জনকে গ্রেফতারও করা হয়েছিল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.