নয়াদিল্লি: বরাবরই স্পষ্ট বক্তা হিসেবে গৌতম গম্ভীরের নাম সামনের সারিতে থাকে। খেলোয়াড় জীবনেই হোক বা রাজনীতির ময়দানে নিজের সেই স্বভাব যে তিনি পরিবর্তন করেননি তা আবারও বোঝা গেল টুইটারের মধ্য দিয়ে।

পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে নানকানা সাহিব গুরদোয়ারার ঘটনা এবং এক নারীকে জোর করে ধর্ম পরিবর্তন করার ঘটনা নিয়ে তীব্র ভাবে কটাক্ষ করলেন ভারতের প্রাক্তন এই ওপেনার তথা বিজেপি সাংসদ। তীব্র ভাষাতে কটাক্ষ করে তিনি জানালেন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান তাদের সেনাদের হাতের পুতুল।

এমনিতেই এর আগেও ইমরান খানের বিরুদ্ধে মন্তব্য করেছিলেন ভারতের বেশ কিছু প্রাক্তন ক্রিকেটার। আর এই ঘটনার পরে এবারে তীব্রভাবে ইমরান খানকে আক্রমণ করলেন গোতি। এর আগেও পাক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন তিনি।

মূলত পাক প্রধানমন্ত্রীর টুইট করা একটি ভিডিওর পরিপ্রেক্ষিতে তিনি এইরূপ মন্তব্য করেছেন। মুসলিমদের উপরে অত্যাচারের নিদর্শন হিসেবে ওই ভিডিওটি শেয়ার করেছিলেন ইমরান খান । কিন্তু সেটা যে বুমেরাং হয়ে যাবে বুঝতে পারেননি তিনি। মুসলিমদের উপর পুলিশের হিংসা দেখানোর জন্য ওই ভিডিও গুলি শেয়ার করা হয়েছিল। কিন্তু আদপে যা ছিল ভুয়ো।

কেননা পাক প্রধানমন্ত্রী যে ভিডিওটি শেয়ার করেছিলেন সেটি ছিল সাত বছর আগেকার। আর তা ছিল বাংলাদেশের ঢাকার। যদিও তিনি ভুল বুঝতে পেরে ওই ভিডিওটি ডিলিট করে দিয়েছিলেন।

গৌতম গম্ভীর তারপরে নিজের সোশ্যাল মিডিয়াতে একটি ভিডিও ক্লিপ শেয়ার করে লিখেছিলেন জোর করে ধর্ম পরিবর্তন করার বিষয় এবং মৃত্যুর হুমকি নিয়ে। তীব্র ভাষাতে কটাক্ষ করেছিলেন। এও বলেছিলেন এটাই পাকিস্তানের বাস্তব চিত্র। যে কারণে সিএএকে সমর্থন জানানো উচিত বলেও জানিয়েছিলেন নিজের টুইটারে।

শুক্রবারে পাকিস্তানের নানকানা সাহিব গুরদোয়ারাতে বেশ কিছু স্থানীয় মুসলিম দুষ্কৃতী আক্রমণ করেছিল যে সময় সংখ্যালঘু শিখ সম্প্রদায়ের মানুষজন সেখানে উপস্থিত ছিল। সেখানে ওই দুষ্কৃতী উপস্থিত হয়ে শিখ বিরোধী স্লোগান দিচ্ছিল বলে জানা গিয়েছিল এছাড়াও রীতিমত পাথর ছুড়ে আক্রমণ করছিল। এছাড়াও জোর করে ধর্ম পরিবর্তন করার চেস্তাও করেছিল। এই রকম একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হওয়াতে ক্ষুব্ধ হয়েছেন অনেকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।