ইসলামাবাদ: করোনা আক্রান্ত পাকিস্তানি সাংবাদিক মেহের তারার। ট্যুইটারে নিজেই সেকথা জানিয়েছেন তিনি। জনপ্রিয় এই সাংবাদিক শনিবার তাঁর ট্যুইটার হ্যান্ডেলে সেই খবর জানান।

তিনি লিখেছেন, ‘গতকালই আমার শরীরে করোনা ভাইরাস ধরা পড়েছে।’ তবে কীভাবে তিনি আক্রান্ত হলেন, তা এখনও জানা যায়নি।

পাকিস্তানের সাংবাদিক হলেও একসময় ভারতের সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে উঠে এসেছিলেন এই মেহের তারার। কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুরের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা উঠে এসেছিল প্রকাশ্যে।

শশী থারুর ও মেহেরের ট্যুইটে বাক্যালাপ সেইসময় ভাইরাল হয়ে যায়। আবেগঘন সেসব ট্যুইট ডিলিট হলেও, স্ক্রিনশট ঘোরাফেরা করেছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। শশী থারুরের স্ত্রী সুনন্দা পুষ্করও মেহেরের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন।

মেহের তারারকে আইএসআই এজেন্ট বলেও উল্লেখ করেছিলেন সুনন্দা। তিনি বলেছিলেন, ষড়যন্ত্র করে শশী ফাঁসাচ্ছেন এই মেহের তারার। এই ঘটনার কিছুদিন পরই মৃত্যু হয় সুনন্দা পুষ্করের। হোটেলের ঘরে রহস্যজনকভাবে পাওয়া গিয়েছিল সুনন্দার দেহ। তাঁর মৃত্যুতরে শশী-মেহের সম্পর্কের প্রভাব থাকতে পারে বলেও অভিযোগ ওঠে। মামলা চলে বেশ কয়েক বছর ধরে।

পেশায় সাংবাদিক ওই পাকিস্তানি মহিলা লাহোরের বাসিন্দা। তাঁর এক পুত্র সন্তান রয়েছে। ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া ইউনিভার্সিটি থেকে পড়াশোনা করেছেন তিনি। সাংবাদিকতার পাশাপাশি লেখালিখিও করেন।

শশী থারুরের সঙ্গে তাঁর নাম জড়ানোয় তিনি দাবি করেছিলেন, যে তাঁর সঙ্গে শশীর মাত্র দু’বার দেখা হয়েছিল। একবার সাক্ষাৎকার নিয়েছিলেন ও অন্যবার দুবাইতে এক সামাজিক অনুষ্ঠানে। এরপর আর দেখা হয়নি। ট্যুইটার এবং ইমেলে শশীর সঙ্গে যোগাযোগ ছিল বলেও স্বীকার করেছিলেন তিনি।

এদিকে, পাকিস্তানেও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। শুক্রবারের হিসেব অনুযায়ী পাকিস্তানের করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে, ৮৯,২৪৯। নতুন করে ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছে ৪,৮৯৬ জন। ২৪ ঘণ্টায় ৬৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প