ইসলামাবাদ: কান্দিল বালোচ খুনে গ্রেফতার করা হতে পারে পাকিস্তানের ধর্মীয় নেতা মুফতি আব্দুল কাউই। তাঁর সঙ্গে ছবি তোলার জন্যই কান্দিলকে খুন হতে হয় বলে অনুমান করা হচ্ছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কান্দিলের বাবার দেওয়া বয়ান অনুযায়ী, কান্দিল খুনে বড়সড় ভূমিকা ছিল মুফতির।

এই মুফতি কাউই-র সঙ্গে তোলা ছবি প্রকাশ্যে আসার পরই খুন হন কান্দিল বালোচ। ৫ জুলাই পাক সংবাদপত্রকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বালোচ জানান, মুফতি আব্দুল কাভির সঙ্গে ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর তাঁকে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। একাধিক হুমকি ফোনও এসেছে তাঁর কাছে। বাবা-মায়ের সঙ্গে তাই বিদেশে পাড়ি দেওয়ার কথা ভাবছিলেন তিনি। কারণ তিনি জানতেন এদেশে তাঁকে কোনও নিরাপত্তা দেওয়া হবে না। হুমকির কথা জানানো সত্ত্বেও সরকারের তরফে তিনি কোনও উত্তর পাননি। সেইজন্যই দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন।

এরপর নিজের ভাইয়ের হাতেই গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণ হান পাক সুন্দরী কান্দিল বালোচ। মুলতানে নিজের বাড়িতেই গুলি করে খুন করা হয় কান্দিলকে৷প্রাথমিকভাবে ধারণা, পারিবারিক সম্মান বজায় রাখতেই বোন কান্দিলকে খুন করেছেন ভাই৷যৌন উত্তেজক ছবি পোস্ট করতেন কান্দিল৷তাঁর অগুন্তি ফ্যান ছিল বিশ্বজুড়ে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।