জয়পুর: কেল্লা বনধ৷ অভিনব প্রতিবাদ৷ সেই প্রতিবাদের জেরে জোর ধাক্কা খেতে শুরু করেছে রাজস্থানের পর্যটন শিল্প৷ পদ্মাবতী সিনেমা প্রদর্শনের বিরুদ্ধে এবার কারনি সেনা বনধ ডাকল কুম্ভলগড় কেল্লায়৷ ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজে তালিকায় থাকা এই কেল্লা রানা প্রতাপের জন্মস্থান হিসেবে সুপরিচিত৷

সঞ্জয় লীলা বনশালির সিনেমা ‘পদ্মাবতী’ ঘিরে বিতর্ক আরও দানা পেকেছে৷ রাজস্থানের শ্রী রাজপুত কারনি সেনার অভিযোগ, ছবিতে চিতোরের মহারানি পদ্মিনী (ছবিতে পদ্মাবতী)-এর সঙ্গে বাদশা আলাউদ্দিন খিলজির প্রেমের সম্পর্ক দেখানো হয়েছে৷ ইতিহাসকে বিকৃত করা ও রাজপুত মহিলার অসম্মানের প্রসঙ্গ টেনে প্রবল প্রতিবাদ করছে কারনি সেনা৷ যার জেরে ছবি প্রদর্শন প্রায় বন্ধের মুখে৷

হুমকি ও হামলার মতো পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি এবার রাজ্যের বিখ্যাত কেল্লাগুলিতে দর্শক ঢুকতে বাধা দিচ্ছে কারনি সেনা সমর্থকরা৷ তেমনই পদক্ষেপ নিয়ে আগেই বনধ পালন হয়েছে বিখ্যাত চিতোর দুর্গে৷ সেই রেশ ধরে এবার বনধ পালিত হচ্ছে কুম্ভলগড় দুর্গে৷

রবিবার সকাল থেকে পরিস্থিতি আরও গুরুতর৷ সপ্তাহান্তে বহু দেশি-বিদেশি পর্যটক কুম্ভলগড় দর্শনে এসেছিলেন৷ তাঁদের প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া হয়৷ কারনি সেনার দাবি, ‘পদ্মাবতী’ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ না করা হলে প্রতিবাদ আরও তীব্র হবে৷
এদিকে চিতোরগড় থানার ওসি ওমপ্রকাশ জানিয়েছেন, প্রতিবাদ হলেও চিতোরের পরিস্থিতি স্বাভাবিক৷ অন্যদিকে কুম্ভলগড় থানার অফিসার চন্দন সিং জানিয়েছেন, এখানকার কেল্লার দরজা বন্ধ করেছে বিক্ষোভকারীরা৷

হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলির চাপে রানা প্রতাপের জীবন নিয়ে নতুন করে ইতিহাস লেখার পালা শুরু হয়েছে৷ সেখানে আকবর ও প্রতাপের মধ্যে যুদ্ধে মহারানার পরাজয় মানতে নারাজ গেরুয়া শিবির ঘনিষ্ঠ ইতিহাসবিদরা৷ সেই রানা প্রতাপের জন্মস্থান কুম্ভলগড় দর্শনে বাধা দিল কট্টর রাজপুত সংগঠন কারনি সেনা৷

 

পঞ্চদশ শতকে নির্মাণ করা হয়েছিল বিখ্যাত কুম্ভলগড় দুর্গ৷ রানা কুম্ভের কেল্লা হিসেবেও এর আলাদা পরিচিতি রয়েছে৷ থর মরুভূমির রুক্ষ অপরূপ দৃশ্য দেখতে এই কেল্লার জুড়িদার কমই আছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I