মুম্বই: পদ্মাবতীকে নিয়ে শুরু থেকেই সমস্যায় পড়েছেন সঞ্জয় লীলা বনশালি, যা আজও অব্যাহত৷ কিন্তু থেমে যাননি পরিচালক৷ ছবির কাজ এগিয়েছে নিজস্ব নিয়মেই৷ কিন্তু শেষ মুহূর্তেও ছবির মুক্তি আটকাতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে অনেকেই৷ মেবার রাজবংশের ৭৬তম মহারাণা এবং লোকসভার প্রাক্তন সদস্য মহারাজকুমার বিশ্বরাজ সিং এবার এই ছবির সেন্সর সার্টিফিকেট এবং মুক্তি রুখতে চিঠি দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি এবং সেন্সর বোর্ডের চেয়ারপার্সন প্রসূন যোশী৷

সূত্রের খবর, ‘বিতর্কিত’ এই ছবিকে সেন্সর এবং মুক্তির জন্য ছাড় কেন দেওয়া উচিত নয় তার ৭টি কারণ এই চিঠিতে তুলে ধরেছেন তিনি৷ যদিও পরিচালক জানিয়েছেন, রাজপুত রানিকে পদ্মাবতীর প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদনে তৈরি তাঁর এই ছবি৷ কিন্তু বিশ্বরাজ সিং-এর মতে, সুফি কবি মালিক মহম্মদ জইশির পদ্মাওয়াত কোনও ঐতিহাসিক দলিল নয়৷ ছবির পরিচালকও কোনও ঐতিহাসিক তথ্যপ্রমাণ দিতে পারেননি এই ছবি সম্পর্কে, এমনই দাবি করেন মহারাণা৷

তিনি অভিযোগ জানান, তাঁর পরিবার সম্পর্কেই যেহেতু এই ছবি এবং এর মধ্যে রয়েছে মেবারের ছবিও, সেহেতু পরিচালকের উচিত ছিল রাজবংশের সম্মতি নেওয়া এবং তাঁদের থেকে তথ্য যাচাই করে নেওয়া, কিন্তু সঞ্জয় লীলা বনশালি সে সব কিছুই করেননি৷

তিনি জানান, সরকারের দায়িত্ব দেশের ইতিহাস এবং দেশবাসীর সম্ভ্রম রক্ষা করা৷ তাঁর এই মর্মে লেখা চিঠি আরও অনেককেই তিনি পাঠান৷ তবে শেষ পর্যন্ত পদ্মাবতী জনগণের সামনে আত্মপ্রকাশ করবে কিনা, সেই প্রশ্ন যেন বারবার উঁকি দিয়ে যাচ্ছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।