মুম্বই: অপ্রতিরোধ্য রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। টুর্নামেন্টের ইতিহাসে প্রথম তিন ম্যাচে টানা জয় তুলে নিয়ে গত ম্যাচেই দৃষ্টান্ত গড়েছিল কোহলির দল। আর বৃহস্পতিবার চতুর্থ ম্যাচেও জয় তুলে নিয়ে ফের লিগ টেবিলের শীর্ষে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। আপাতত যে ফর্মে ব্যাঙ্গালোরের ফ্র্যাঞ্চাইজি, তাতে অধরা মাধুরি ছোঁয়ার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন সমর্থকেরা। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে এদিন আরসিবি’র জয়ের নায়ক বাঁ-হাতি তরুণ ওপেনার দেবদূত পারিক্কল। দারুণ খেললেন অধিনায়ক বিরাট কোহলিও। কিন্তু ৫১ বলে বিধ্বংসী শতরানে কর্ণাটক ওপেনার ছাপিয়ে গেলেন সমস্তকিছু।

কোহলি-পারিক্কলের অবিভক্ত ওপেনিং জুটিতে ১৭৮ রান তাড়া করে ১০ উইকেটে জিতল আরসিবি। দিনকয়েক আগে গত মরশুমের ‘আবিষ্কার’ পারিক্কলের থেকে চলতি মরশুমে আইপিএল শতরান দেখতে চেয়েছিলেন ক্রিকেটের রাজপুত্র ব্রায়ান লারা। এদিন কিংবদন্তির মনস্কামনা পূর্ণ করেই যেন কেরিয়ারের প্রথম আইপিএল শতরান হাঁকালেন পারিক্কল। সঙ্গে কোহলির ব্যাটেও ঝড়। সবমিলিয়ে আরসিবি’র দুই ওপেনিং ব্যাটসম্যানের ব্যাটিং ধামাকায় ছারখার রাজস্থান রয়্যালস। প্রথম চার ম্যাচের মধ্যে এই নিয়ে তিন ম্যাচে হার তাদের।

যদিও প্রথমে ব্যাট করতে নামা রয়্যালস শিবির এদিন প্রাথমিক ধাক্কা সামলে ভালোই ঘুরে দাঁড়িয়েছিল। সিরাজ-জেমিসনদের দাপটে ৪৩ রানে ৪ উইকেট খুঁইয়ে ধুঁকতে থাকা উত্তরের ফ্র্যাঞ্চাইজি দলটি শিবম দুবে এবং রাহুল তেওয়াটিয়ার ব্যাটে চ্যালেঞ্জিং স্কোর খাড়া করে। অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন-সহ রাজস্থানের টপ-অর্ডার ব্যর্থ হওয়ার পর পঞ্চম উইকেটে শিবম দুবে এবং রিয়ান পরাগের ৬৬ রানের পার্টনারশিপে ঘুরে দাঁড়ায় তারা। ২৬ বলে ২৫ রান করেন রিয়ান পরাগ। ৩২ বলে ৪৬ রান করে অর্ধশতরান হাতছাড়া করেন দুবে। তাঁর ইনিংসে ছিল ৫টি চার এবং ২টি ছয়। দুবে আউট হওয়ার পর ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন গত মরশুমের ‘আবিষ্কার’ তেওয়াটিয়া। প্রথম তিন ম্যাচে জ্বলে না উঠলেও এদিন ২৩ বলে তাঁর ৪০ রানে ক্যামিও রয়্যালসদের চ্যালেঞ্জিং স্কোরে পৌঁছে দেয়।

২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৭৮ রান তোলে রয়্যালস। জবাবে শুরু থেকেই পারিক্কল-কোহলি জুটি যেভাবে আক্রমণের পথ বেছে নেন, তার পালটা কোনও সদুত্তর ছিল না রয়্যালস বোলারদের কাছে। ১৭৮ রানের মতো চ্যালেঞ্জিং স্কোর তাড়া করেই আরসিবি’র দুই ওপেনারের ব্যাটিং এদিন নয়া দৃষ্টান্ত স্থাপন করল। এদিন মাত্র ৫১ রান করলেই আইপিএলে ৬ হাজার রান পূর্ণ হত কোহলির। সহজেই সেই মাইলস্টোনে পৌঁছে গেলেন বিরাট। ৬টি চার ৩টি ছয়ে এদিন ৪৭ বলে অপরাজিত ৭২ রান আসে কোহলির ব্যাটে।

কিন্তু অধিনায়কের ব্যাটিং ফিকে করে ওয়াংখেড়েতে এদিন নায়ক পারিক্কল। ঝড় তুলে মাত্র ৫১ বলে শতরান পূর্ণ করেন বিজয় হাজারে ট্রফির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানস্কোরার। দুই ওপেনারের ব্যাটে অবলীলায় এদিন রান তাড়া করে ফেলে আরসিবি। ২১ বল বাকি থাকতে এদিন লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছে যায় আরসিবি। ১১টি চার এবং ৬টি ছক্কায় ৫২ বলে ১০১ রানে অপরাজিত থাকেন পারিক্কল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.