মুম্বই: গত মরশুমে মরুশহরে তাঁর ব্যাটিং দেখে মজেছিলেন খোদ ক্রিকেটের রাজপুত্র। চলতি মরশুমের শুরুতে তাই একটি লক্ষ্যমাত্রা তাঁকে বেঁধে দিয়েছিলেন ক্যারিবিয়ান ব্যাটিং গ্রেট ব্রায়ান চার্লস লারা। চলতি আইপিএলে আরসিবি ওপেনার দেবদূত পারিক্কলের ব্যাট থেকে জোড়া শতরান দেখতে চেয়েছিলেন ক্রিকেটের রাজপুত্র। লারার ডাকে সাড়া দিয়ে বৃহস্পতিবার আইপিএলে নিজের পয়লা নম্বর শতরানটি করে ফেললেন কর্নাটকী ওপেনার। তাঁর ৫১ বলে বিস্ফোরক শতরান এখন চর্চার বিষয় নেটদুনিয়ায়।

আইপিএলের ইতিহাসে তৃতীয় কনিষ্ঠ শতরানকারী পারিক্কলকে সবাই বলছেন ‘মাস্টারক্লাস’। কিন্তু মজার ব্যাপার হল এদিন রয়্যালসের বিরুদ্ধে নিজের শতরান নিয়ে কোনও মাথাব্যথা ছিল না বিজয় হাজারে ট্রফির দ্বিতীয় সর্বাধিক রানসংগ্রহকারীর। আর সেই কারণে নাকি অধিনায়কের বকাও তাঁকে শুনতে হয়েছে মাঠে। ওয়াংখেড়েতে এদিন রয়্যালসের ১৭৮ রানের লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমে বেপরোয়া ব্যাটিং শুরু করেন আরসিবি’র দুই ওপেনার পারিক্কল এবং কোহলি। ২৭ বলে ঝোড়ো অর্ধশতরান পূর্ণ করে পারিক্কল যখন ৪৭ বলে ৯১ রানে দাঁড়িয়ে দলের তখন জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৩০ বলে মাত্র ১৬ রান।

তখনই ব্যাট হাতে ছন্দে থাকা অধিনায়কের কাছে গিয়ে তরুণ ব্যাটসম্যান বলেন তাঁর শতরানের কথা না ভাবতে। কোহলিকে দ্রুত ম্যাচ শেষ করতে বলেন কর্ণাটকী ব্যাটসম্যান। পালটা কোহলিও তাঁকে আদর করে ধমক দেন। ম্যাচ শেষে আরসিবি অধিনায়ক বলেন, ‘পারিক্কলের শতরান নিয়ে আমাদের মধ্যে কথা হয়েছিল। ও আমাকে ম্যাচ শেষ করে দেওয়ার কথা বলেছিল। আমি ওকে বলেছিলাম আগে শতরানটা করো। তখন ও আমাকে বলে শতরানের সুযোগ আবারও আসবে। তখন আমি তাঁকে বলি ল্যান্ডমার্কে পৌঁছে এই কথাগুলো বললে আরও ভালোলাগবে। ওঁর শতরানটা প্রাপ্য ছিল।’

আলাদা করে পারিক্কলের ইনিংস নিয়ে কোহলি বলেন, ‘এটা দুর্ধর্ষ একটা ইনিংস। গতবার অভিষেক মরশুমে ও দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছিল। তবে তিরিশের কোটায় পৌঁছনোর পরেও বেশ কিছু ক্ষেত্রে নিজেকে গুটিয়ে রাখায় খানিক সমালোচনা হয়েছিল। এদিনের পর সেই সমালোচনা গুলো তোলা থাকবে। সত্যি বলতে এদিনের পিচটা ব্যাটিং’য়ের আদর্শ ছিল। একইসঙ্গে ওঁর উচ্চতার কারণে বোলাররা লেংথ বল করতে সমস্যায় পড়েছে। টি-২০ ক্রিকেট মানে পার্টনারশিপ ক্রিকেট। ছেলেটা যখন দারুণ এগোচ্ছিল তখন আমার কর্তব্য ছিল নিজের উইকেটটা ধরে রাখা। কিন্তু রোজ এটা সম্ভব হবে না।’

উল্লেখ্য, পারিক্কল-কোহলির অবিভক্ত ১৮১ রানের ওপেনিং জুটিতে ১০ উইকেটে রয়্যালসকে হারায় আরসিবি। ৫২ বলে ১০১ রানে অপরাজিত থাকেন পারিক্কল। কোহলি করেন ৪৭ বলে অপরাজিত ৭২।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.