বাসেল: গত দু’বার ফাইনালে পৌঁছেও সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল রুপো জয়েই। এবার বিডব্লুএফ ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপে পদকের রং বদলে মরশুমের প্রথম খেতাব জয়ের লক্ষ্যে বদ্ধপরিকর পুসরেলা ভেঙ্কট সিন্ধু। সেই লক্ষ্যে আর এক কদম দূরে দাঁড়িয়ে ভারতের পয়লা নম্বর মহিলা শাটলার। শনিবার ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপের একপেশে সেমিফাইনালে বিশ্বের ৩ নম্বর চিনের চেন জু ফেইকে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করলেন হায়দরাবাদি শাটলার।

শেষ চারের লড়াইয়ে সিন্ধুর পক্ষে ম্যাচের ফল ২১-৭, ২১-১৪। তবে সেমিতে একপেশে জয়ের পরও তৃপ্ত নন বিশ্বের ৫ নম্বর সিন্ধু। সোনায় চোখ রেখে ম্যাচের পর সিন্ধু এদিন জানান, ‘ফোকাস ধরে রাখাটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এখনও আমার লক্ষ্যপূরণ হয়নি। আমি খুশি তবে তৃপ্ত নেই। টুর্নামেন্টে এখনও একটি ম্যাচ বাকি এবং আমি সোনা জিততে চাই।’ একইসঙ্গে সিন্ধু জানিয়ে রাখলেন ফাইনালের লড়াই খুব একটা সহজ হবে না। তবে ধৈর্য্য না হারিয়ে সেরাটা দিতে মুখিয়ে তিনি।

সেমির পারফরম্যান্স নিয়ে বলতে গিয়ে টুর্নামেন্টে গত দু’বারের রুপোজয়ী জানান, ‘প্রস্তুতি দারুণ ছিল এবং শুরু থেকেই লিড পেয়ে গিয়েছিলাম শেষ অবধি সেটা ধরে রাখতে পেরেছি। দ্বিতীয় গেমে কিছু আনফোর্সড এরর করলেও ফের লিড নিতে সক্ষম হয়েছি। যা আমার আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছিল। সবমিলিয়ে সেমিফাইনালের পারফরম্যান্সটা আগামিকাল ফাইনালেও ধরে রাখতে চাই।’ ফাইনালের লড়াইয়ে রবিবার জাপানের প্রতিদ্বন্দ্বী নোজোমি ওকুহারার মুখোমুখি হবেন সিন্ধু।

তবে সিন্ধু ফাইনালে পৌঁছলেও সেমিতেই থেমে গেল বি সাই প্রনীতের লড়াই। ব্রোঞ্জ জিতেই সন্তুষ্ট থাকতে হল ‘অর্জুন’ প্রণীতকে। শনিবার পুরুষদের সিঙ্গলসের শেষ চারের লড়াইয়ে জাপানের কেন্তো মোমোতার কাছে থামল হায়দরাবাদি শাটলারের লড়াই। খেলার ফল প্রণীতের বিপক্ষে ১৩-২১, ৮-২১। তবে সেমিফাইনালে বিশ্বের ১ নম্বর শাটলারের কাছে হেরে হতাশ নন প্রণীত। বরং ম্যাচ শেষে ২০১৯ ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপকে ‘কেরিয়ারের সেরা টুর্নামেন্ট’ হিসেবে আখ্যা দিলেন তিনি।

উল্লেখ্য, ৩৬ বছরের খরা কাটিয়ে ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপে পদক আনলেন প্রণীত। ১৯৮৩ শেষবার প্রকাশ পাড়ুকোনের হাত ধরে পুরুষ সিঙ্গলসে ব্রোঞ্জ এসেছিল ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে।