নয়াদিল্লি: আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়ায় এইমস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হল প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরমকে। শনিবার পেটে ব্যাথার কথা জানালে তাঁকে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তিহার জেলে রয়েছেন তিনি।

তিহার জেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেরুটিন চেক-আপের জন্যই তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। চেক আপ হয়ে গেলেই তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হবে।

গত ২১ অগস্ট সিবিআই গ্রেফতার করে প্রাক্তন অর্থমন্ত্রীকে। এরপর থেকে জেলেই আছেন তিনি। অক্টোবরের ১৭ তারিখ পর্যন্ত আপাতত জেলের সেলেই কাটবে চিদাম্বরমের সময়।

দু’দিন আগেই জানা যায়, জেলের খাবার মুখে তুলতে পারছেন না প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী। ফলে ক্রমশ ওজন কমছে তাঁর। ইতিমধ্যেই ৪ কেজি ওজন কমে গিয়েছে চিদাম্বরমের। নিজের স্বাস্থ্যের অবনতির কথা জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে বৃহস্পতিবার জামিনের আবেদন করেছিলেন চিদাম্বরম। তবে লাভ হয়নি।

তিনদিন আগেই তাঁর জামিনের আবেদন নাকচ করেছিল দিল্লি হাইকোর্ট। তারপরেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন প্রাক্তন এই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। চিদাম্বরমের আইনজীবী ও কাউন্সেল কপিল সিব্বল তাঁর হয়ে জামিনের জন্য সওয়াল করেন এদিন। বিচারপতি এন ভি রমনের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। পরে বিচারপতি জানান এই মামলা সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের কাছে পাঠানো হয়েছে। তিনিই এই মামলায় চূড়ান্ত রায় দেবেন। ১২ই অগাস্ট পি চিদাম্বরমকে গ্রেফতার করে সিবিআই। মূল অভিযোগ, আই এন এক্স মিডিয়া মামলা। এই মামলাতে মূল অভিযুক্ত চিদাম্বরম এবং তাঁর পুত্র কার্তি।

আইএনএক্স মিডিয়া কেস-এ সিবিআই গ্রেফতার করেছে চিদাম্বরমকে৷ জেলে তাঁর প্রতিবেশি জম্মু ও কাশ্মীরের বিচ্ছিন্নতাবাদীনেতা ইয়াসিন মালিক৷ প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জোর আলোচনা শুরু হয়ে যায়, মোদী সরকারের বিরুদ্ধে সব থেকে আক্রমণত্মক কন্ঠকেই গ্রেফতার করেছে সিবিআই৷ একসময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী হিসাবে অমিত শাহ’র বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল চিদাম্বরম৷ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হয়ে তা সুদে-আসলে ফিরিয়ে দিয়েছেন শাহ৷